1. ayanabirbd@gmail.com : deshadmin :
  2. hr.dailydeshh@gmail.com : Daily Desh : Daily Desh
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
ভারতের সীমানায় ঢুকে নিজেদের মানচিত্র একে দিলো চীন, লাদাখের দিকে এগিয়েছে পাকিস্তানও পুলিশকে দমন-পীড়ন থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান আইজিপির এবারই নয়, ১১ বছর ধরেই বিএনপি বাজেট প্রত্যাখ্যান করছে : তথ্যমন্ত্রী তেরখাদায় নিখোজের দুদিন পর কৃষকের লাশ উদ্ধার খুলনায় দূর্নীতি লুটপাট বন্ধ ও পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলসহ বিভিন্ন দাবীতে বাম জোটের মানববন্ধন তামাকের কর কাঠামোর পরিবর্তনের দাবিতে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি বাংলাদেশ থেকে রফতানি পণ্য গ্রহন না করার প্রতিবাদে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২য় দিনেও ভারতীয় পন্য আমদানি বন্ধ লাকসামে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু অধ্যাপক মোস্তফা কামাল আর নেই ফরিদগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় যুবক নিহত

২৫ হাজার স্থায়ী শ্রমিককে স্বেচ্ছা অবসরে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিজেএমসি

মাশরুর আমিন
  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০

বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের ক্রমবর্ধমান লোকসানের বোঝা কমাতে প্রায় ২৫ হাজার স্থায়ী শ্রমিককে স্বেচ্ছা অবসরে (গোল্ডেন হ্যান্ডশেক) পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি)।


গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের অংশ হিসেবে শ্রমিকেরা কী কী সুযোগ-সুবিধা পাবেন, তা শিগগিরই চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।

এ প্রসঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গাজী গোলাম দস্তগীর বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল থাকবে। তবে ব্যবস্থাপনা বেসরকারীকরণ করা হবে, যাতে লোকসান না হয়। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)-এর ভিত্তিতে মিলগুলো চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি জানান, অবসরে পাঠানো শ্রমিকেরা সেপ্টেম্বরে  তাদের পাওনা টাকা পাবেন।

তবে, শ্রমিক নেতারা বলেছেন, ‘আমরা শ্রমিকেরা গোল্ডেন হ্যান্ডশেক চাই না। আমরা কাজ করে খেতে চাই।’ শ্রমিক নেতাদের অভিমত, প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে পাটকলগুলোর যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন করলেই উৎপাদন তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে।

এ প্রসঙ্গে খুলনা অঞ্চলের প্রবীণ শ্রমিক নেতা আবদুর রশিদ দেশ’কে বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত পাট কলের শ্রমিকদের অবসরে পাঠাবার খবরে তাদের মাঝে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল তারা বিভিন্ন মিল গেটে সমাবেশ করেছে এবং আজ বিকেলে খুলনা-যশোর অঞ্চলের শ্রমিক নেতারা বসে তাদের কর্মসূচি নিয়ে কথা বলবেন।

ওদিকে, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক এ এ এম ফয়েজ দেশ’কে জানিয়েছেন এ বিষয়ে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন পেশাজীবী সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের সাথে তারা আলোচনা শুরু করেছেন। সকলে মিলে একটা বৃহত্তর কর্মসূচি নেবার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।  তিনি দৃঢ়তার সাথে  জানান, শ্রমিকদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে তাদের তীব্র অন্দোলন সরকারের জন্যও বিপজ্জনক হয়ে পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিজেএমসির আওতায় ২৬টি পাটকলের মধ্যে বর্তমানে চালু আছে ২৫টি। এর মধ্যে ২২টি পাটকল ও ৩টি নন–জুট কারখানা। পাটকলগুলোতে বর্তমানে স্থায়ী শ্রমিক আছেন ২৪ হাজার ৮৫৫ জন। এ ছাড়া তালিকাভুক্ত বদলি ও দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার।

দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছিল না। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাটকলগুলো ৪৯৭ কোটি টাকার লোকসান গুনেছে। পরের বছর সেই লোকসান বেড়ে ৫৭৩ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। লোকসানের চক্কর থেকে বের হতে না পারায় পাটকলের শ্রমিকদের মজুরি বকেয়া পড়ে। আন্দোলনে নামেন শ্রমিকেরা। তাঁদের অর্থ পরিশোধে অর্থ মন্ত্রণালয়ে হাত পাতে বিজেএমসি। কয়েক বছর ধরে এমন ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে আসছে।

অন্যদিকে বিজেএমসির আয়ও বছর বছর কমছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে করপোরেশনটির আয় ছিল ১ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছর সেটি কমে ৭০৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

পাটকলগুলোর আয় কমে যাওয়া এবং বছরের পর বছর লোকসানের কারণ হিসেবে বিজেএমসির শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে শ্রমিকনেতারা বলছেন, লোকসানের বড় কারণ কাঁচা পাট কেনায় অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি। তারা পাট কেনে দেরিতে ও বেশি দামে। এছাড়া সরকারি পাটকলের উৎপাদনশীলতা কম, উৎপাদন খরচ বেশি, যন্ত্রপাতি পুরোনো এবং বেসরকারি খাতের তুলনায় শ্রমিকের মজুরি বেশি।

২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন মজুরি স্কেল কার্যকর হলেও সে অনুযায়ী মজুরি দেওয়া হয়নি। তাতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বকেয়া মজুরি রয়েছে। তা ছাড়া অবসরে যাওয়া প্রায় ৯ হাজার শ্রমিকের গ্র্যাচুইটি বাবদ ১ হাজার কোটি টাকা বকেয়া আছে।

এ প্রসঙ্গে বিজেএমসির চেয়ারম্যান মো. আবদুর রউফ বলেন, ‘স্থায়ী শ্রমিকদের অবসরে পাঠানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। তবে এখনো সবকিছু চূড়ান্ত হয়নি। শ্রমিকদের বিষয়টি সুরাহা হওয়ার পরে পাটকলগুলো কীভাবে চলবে, তা ঠিক করা হবে। তিনি বলেন, গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা আগামী অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

বিজেএমসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘গোল্ডেন হ্যান্ডশেক হলেও বর্তমানের শ্রমিকেরা পরে পাটকলগুলোতে কাজ করবেন। কারণ, তাঁদের মতো দক্ষ শ্রমিক আর পাওয়া যাবে না।’

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

নামাজের সময়সূচীঃ

    Dhaka, Bangladesh
    শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৩:৪৯
    সূর্যোদয়ভোর ৫:১৬
    যোহরদুপুর ১২:০৩
    আছরবিকাল ৩:২১
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৫০
    এশা রাত ৮:১৭

@ স্বত্ত দৈনিক দেশ, ২০১৯-২০২০

সাইট ডিজাইনঃ টিম দেশ