ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৪ আগস্ট ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গণমাধ্যম
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ জুড়ে
  15. দেশ পরিবার

জনবলসংকটে নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তর

জেলা প্রতিনিধি, নারায়নগঞ্জ
আগস্ট ৪, ২০২২ ৭:১০ অপরাহ্ণ

মুখ থুবড়ে পড়েছে নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অধিদপ্তরের এই বিভাগে প্রয়োজনের চেয়ে কম পদ থাকার পরেও অনুমোদিত সব পদে জনবল নেই। ১৩ পদের বিপরীতে জনবল রয়েছেন সাত জন। তবে কাগজে কলমে রয়েছেন ৯ জন।

এ জেলার কর্মরত হলেও অন্যত্র প্রেষণে দায়িত্ব পালন করছেন দুই জন। দপ্তরে অনুমোদিত পরিদর্শক, ল্যাব সহকারী, নমুনা সংগ্রহকারী, ল্যাব অ্যাটেন্ডেন্ট নেই। জেলা জুড়ে বাড়ছে মিল-ফ্যাক্টরিসহ বিভিন্ন ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণের অভাবে মিল, ফ্যাক্টরি, ইটভাটা, নির্মাণকাজ ও যানবাহনের ধোঁয়া ও ময়লা-আবর্জনা পোড়ানোর ফলে দূষণ বাড়ছে জেলায়। শিল্পবর্জ্যের কারণে নদীর পানি হয়ে পড়েছে পরিশোধনের অনুপযোগী।

পরিবেশ অধিদপ্তরকে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দূষণ জরিপ, দূষণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণসহ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, প্রয়োজন অনুসারে বিধিলঙ্ঘনকারী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, মামলা দায়ের, পরিবেশ দূষণকারীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়, শিল্পকারখানা পরিদর্শন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান, পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ, নিষিদ্ধঘোষিত পলিথিন শপিংব্যাগ উৎপাদন ও বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিবেশগত গণসচেতনতা সৃষ্টি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জীব নিরাপত্তায় কার্যক্রম গ্রহণসহ পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ নিয়মিত পরিচালনা করতে হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা দেশকে বলেন, আমাদেরকেই পাঁচটি উপজেলা পরিদর্শন করতে হয়। আমাদের অফিস থেকে পুরো জেলা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না। প্রতি উপজেলায় পরিবেশ দপ্তরের উপজেলা অফিস থাকলে আমাদের দপ্তরের কাজ করা সহজ হবে।

নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন দেশকে বলেন, নারায়ণগঞ্জে অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা, ছোট-বড় কয়েক হাজার শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে। এসবের কারণেই সর্বাধিক পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। কিন্তু এই দূষণ রোধে আমরা কাজ করছি কিন্তু আমাদের পর্যাপ্ত জনবল নেই। পুরো জেলার পরিবেশ দূষণরোধে দূষণকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের দায়িত্বে পরিদর্শক রয়েছে কেবলমাত্র এক জন।
সহকারী পরিচালকেরা তাদের দায়িত্বের পাশাপাশি পরিদর্শনের কাজ করছেন। দেশকে তিনি আরো বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের আওতায় প্রচুর কাজ রয়েছে। কিন্তু যেহেতু জনবল কম, আমরা চাইলেও নির্ধারিত সময়ে সব কাজ করতে পারি না। অনেকেই বলে পরিবেশ অধিদপ্তর কাজ করে না। কিন্তু জনবল সংকটের বিষয়টি বুঝতে চায় না। মামলা হলে আমাদের আদালতেও সময় দিতে হয়। আইনের কার্যক্রম সম্পাদনের জন্যও আমাদের নির্দিষ্ট জনবল প্রয়োজন।

সর্বশেষ - আইন আদালত