ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৬ মে ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গণমাধ্যম
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ জুড়ে
  15. দেশ পরিবার

ঢাবি উত্তপ্ত, ফের ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ

নুসাইবা হাসান ইলোরা
মে ২৬, ২০২২ ৩:১১ অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের কার্জন হল এলাকায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ছাত্রদল মিছিল বের। এ সময় মিছিলটি কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়ে। তখন উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

তবে কিছু সময় পর ছাত্রলীগের ধাওয়া খেয়ে পেছনে চলে যান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। আর দোয়েল চত্বর থেকে হাইকোর্টের সামনের সড়ক পর্যন্ত এলাকায় অবস্থান নেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ওই সড়কে মহড়া দেওয়া শুরু করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির অভিযোগ তুলে সম্প্রতি রাজপথে আন্দোলন করছে ছাত্রদল। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার (২৪ মে) ছাত্রদল মিছিল নিয়ে ঢাবি ক্যাম্পাসে ঢুকতে গেলে তাদের বাধা দেয় ছাত্রলীগ। তখন উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রদলের বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হন।

একদিন পর বৃহস্পতিবার আবার মিছিল বের করলো ছাত্রদল। এ সময় ছাত্রদলকে প্রতিহত করতে আগে থেকে লাঠিসোঁটা হাতে পুরো ক্যাম্পাসে মহড়া দিতে দেখা গেছে বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। এ সময় ছাত্রদলের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত স্লোগান দিতেও শোনা যায়।

এ হামলায় সাংবাদিক আবির আহমেদ আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আসে ছাত্রদল। হাইকোর্ট মোড় পার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকায় আসলে সেখানে ছাত্রলীগের মুখোমুখি হয় তারা। সকাল ৯টা থেকে কার্জন হল, শহীদ মিনার, টিএসসি, মধুর ক্যান্টিনে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগের কর্মীরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এসময় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।

তারা জানান, ছাত্রলীগের হামলার মুখে টিকতে না পেরে হইকোর্ট মোড় এলাকা থেকে পিছু হটে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। পরে সেখানে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় তারা ধরি ধরি ধরিনা, ধরলে কিন্তু ছাড়ি না; ছাত্রদলের গুন্ডারা হুশিয়ার সাবধান ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন দেশকে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করার জন্য ছাত্রদল অপচেষ্টা করেছে। তারা রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসের আধিপত্য কায়েম করতে চায়। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানতে পারেনি। সেজন্য সাধারণ ছাত্ররা জোটবদ্ধ হয়েছে। ছাত্রদল ক্যাম্পাসে প্রবেশের আগেই জোটবদ্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা তা প্রতিহত করেছে। আমরা বরাবরের মতো সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করছি।

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আক্তার হোসেন দেশকে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। ক্যাম্পাসে অবস্থান, অন্যায়ের প্রতিবাদ করার অধিকার আমাদের রয়েছে। আমরা পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসতে গেলে কার্জন হল এলাকায় আমাদের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। তাদের হামলায় আমাদের অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। ছাত্রলীগ একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন। দীর্ঘ সময় ধরে তারা সবগুলো বিরোধী সংগঠনকে কোণঠাসা করে রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আতাত করে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে রেখেছে।

সর্বশেষ - আইন আদালত