ঢাকামঙ্গলবার , ২৬ এপ্রিল ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ জুড়ে
  14. দেশ পরিবার
  15. দেশ ভাবনা

বরগুনায় প্রধানমন্ত্রীর ৪১১টি ঈদ উপহার ঘর হস্তান্তর

মহিউদ্দিন অপু, বরগুনা সদর প্রতিনিধি
এপ্রিল ২৬, ২০২২ ৫:২১ অপরাহ্ণ

বরগুনার সদর উপজেলার খাজুরতলা আশ্রায়ণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে জমিসহ ৪১১টি ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি বরগুনা জেলার সদর উপজেলার খেজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প হস্তান্তর অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
প্রধানমন্ত্রীর আজ সারা দেশে ভূমি ও ঘরহীন পরিবারের মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেন। যার মধ্যে দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র বরগুনা সদরের খাজুরতলা আশ্রায়ণ প্রকল্পে তৃতীয় পর্যায়ে জমিসহ ৪১১টি ঘর হস্তান্তর করেন। হস্তান্তর করা ৪১১টি ঘরের মধ্যে আজ ৫০টি পরিবারকে জমিসহ ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেয়ে আজ থকে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেল ৫০টি পরিবার।
বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকা করা হয় এবং তালিকা অনুযায়ী প্রত্যেক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতাংশ করে জমি ও একটি করে ঘর প্রদান কার্যক্রম চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বরগুনা জেলার ছয় উপজেলায়ই আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
বরগুনায় প্রথম পর্যায়ে ২৩২টি, দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৩টি, তৃতীয় পর্যায়ে ৭২৫টি ঘরের মধ্যে ৪১১টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে এবং মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ৪১১টি ঘর হস্তান্তর করেছেন। বাকি ঘরগুলোর কাজ চলছে। বরগুনা সদরের খাজুরতলা আশ্রয়ণ কেন্দ্রে মোট জমি রয়েছে ১১.৪০ একর। এরই মধ্যে এখানে নির্মিত হয়েছে ৩২৯টি ঘর। আরও ১৫০টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। যা বাস্তবায়ন হলে এটি হবে দেশের সব চেয়ে বড় আশ্রয়ণ কেন্দ্র।
এখানে উপকারভোগীরা দুই শতাংশ জমিসহ অর্ধপাকা দুই কক্ষের ঘর পায়েছেন বিনামূল্যে। প্রতিটি ঘরে রয়েছে গোসলখানা, টয়লেট ও রান্না ঘর। রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। গৃহসহ জমির দলিল স্বামী-স্ত্রী উভয়ের নামে যৌথভাবে করে দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগানো হবে। সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপসহ পুকুরও রয়েছে এখানে। শিশু-কিশোরদের শরীর গঠন ও বিনোদনের জন্য থাকছে খেলার মাঠ। স্বয়ংসম্পূর্ণ আধুনিক গ্রামের সব সুবিধাই থাকছে এখানে।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া