ঢাকাসোমবার , ৭ মার্চ ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ জুড়ে
  14. দেশ পরিবার
  15. দেশ ভাবনা

আজ ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহার ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী

১৯৩৫ সালে অবিভক্ত বাংলার বর্ধমান জেলার কাশেম নগরের জমিদার ও সমাজ হিতৈষী বাবা আবুল হাসনাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাগিনা জোহা। তাদের পরিবারের পূর্বপুরুষদের নামানুসারেই গ্রামটির নাম কাশেম নগর রাখা হয়। তার বাবা আবুল হাসনাত ছিলেন সমাজ হিতৈষী ও কাশেম নগরের জমিদার। শিল্প-সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতায় তার বিশেষ সুনাম ছিল। মরহুম নাগিনা জোহার বড় চাচা আবুল কাশেমের ছেলে আবুল হাশিম ছিলেন অবিভক্ত ভারতবর্ষের মুসলীম লীগের সেক্রেটারি ও এম.এল.এ। চাচাতো ভাই মাহবুব জাহেদী ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ছিলেন। ভাগ্নে পশ্চিমবঙ্গের কমিউনিস্ট নেতা সৈয়দ মনসুর হাবিবল্লাহ রাজ্যসভার স্পিকার ছিলেন।

১৯৫১ সালে এ কে এম সামসুজ্জোহার সাথে তার বিয়ে হয়। স্বামীর বাড়িতে এসেই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশ নেন। এর আগে ১৯৫০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদালয়ের অধীনে মেট্টিক পাশ করেন নাগিনা জোহা। নাগিনা জোহা বিয়ের পরপরই জড়িয়ে ছিলেন, ভাষা আন্দোলনে। এছাড়াও বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধেও ছিল তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিশাল অবধান।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দেশ তথা নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে বিশাল অবদান রেখেছে তাঁর ৩ ছেলে। তার বড় ছেলে নাসিম ওসমান ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ৪ বারের সংসদ সদস্য, মেঝু ছেলে সেলিম ওসমান বাংলাদেশে নিটওয়ার প্রস্তুতশারকদের একটি জাতীয় বাণিজ্য সংস্থা বিকেএমইএ’র সভাপতি ও ২ বারের সংসদর ছোট ছেলে শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা, নারায়ণগঞ্জ সরকারী তোলারাম কলেজের সাবেক ভিপি ও ৩ বারের সংসদ সদস্য। ১৯৫২ সালে নারায়ণগঞ্জ ভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন নাগিনা জোহার স্বামী একেএম শামসুজ্জোহা আর শ্বশুর তৎকালিন এমএলএ খান সাহেব ওসমান আলীর চাষাঢ়ার বাড়ি বায়তুল আমান ছিল সকল আন্দোলন সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু। সে সময় আন্দোলন সংগ্রামের দিক নির্দেশনামূলক সভা গুলি বায়তুল আমানেই অনুষ্ঠিত হতো।

২০১৬ সালের ১ মার্চ বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহা। ৬ মার্চ থেকে তিনি লাইফ সার্পোটে থাকার পর ৭মার্চ দুপুর ১টা ১০ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মরহুম এ. কে. এম শামসুজ্জোহার সহধর্মিনী মরহুম নাগিনা জোহা ছিলেন ভাষা সৈনিক। তিনি রত্নাগর্ভা মা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। তার তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে প্রয়াত নাসিম ওসমান ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, মেঝ ছেলে সেলিম ওসমান একই আসনে দ্বিতীয় মেয়াদে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করছেন এবং ছোট ছেলে শামীম ওসমান সরকারী তোলারাম কলেজের সাবেক ভিপি ও নারায়নগঞ্জ-৪ আসনে তৃতীয় মেয়াদে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া