ঢাকাশুক্রবার , ৪ মার্চ ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গণমাধ্যম
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ জুড়ে
  15. দেশ পরিবার

ঘোড়াশাল রেলস্টেশন নেশাখোর-ছিনতাইকারীদের আখড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
মার্চ ৪, ২০২২ ২:০৮ অপরাহ্ণ

নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশন এলাকায় সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই নেশাখোর ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বাড়ে। রেলপথে যাতায়াতকারীদের একা পেলেই মোবাইল ও টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয় তারা। শুধু তাই নয়, নারীদের শ্লীলতাহানি করাসহ ধর্ষণের ঘটনাও ঘটাচ্ছে ছিনতাইকারীরা। লোক লজ্জা ও প্রাণ ভয়ে এসব অনেক ঘটনাই চেপে যাচ্ছেন কেউ কেউ। আবার অনেকেই বাধা দিতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাত ও মারধরের শিকার হয়েছে। সন্ধ্যায় ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশন এলাকায় স্বামীকে মারধর করে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশের তদন্তে বেড়িয়ে আসছে এই স্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীদের রাতের তৎপরতার তথ্য।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশন থেকে টান ঘোড়াশাল স্টেশন ও ঘোড়াশাল রেল ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকার মধ্যেই বেশি ছিনতাইয়ের শিকার হয় রেলপথের যাত্রীরা। রেলের দুপাশের ঝোপঝাড়ে আগে থেকেই উৎপেতে থাকে ছিনতাইকারীরা। কোনো যাত্রীদের একা পেলেই তাদের মারধর করে মোবাইল ও টাকা-পয়সাসহ সর্বস্ব ছিনিয়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশনের উত্তর পাশের একটি কলা বাগানে এসব ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে বেশি।

ঘোড়াশাল থেকে তিতাস ট্রেনের মাধ্যমে নিয়মিত ঢাকা যাতায়াতকারী আব্দুল কুদ্দুস মিয়া জানান, মাসখানেক পূর্বে ঘোড়াশাল রেল ব্রিজের ওপর থেকে ছিনতাইকারীরা আমাকে মারধর করে মোবাইল ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়। আমি বিষয়টি টিকেট মাস্টারকে জানিয়ে ছিলাম। এর আগে স্টেশন এলাকায় মধ্য রাতে হুমায়ূন কবির নামের এক ব্যবসায়ীকে ছিনতাইকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ছিনতাই করে বলেও জানা যায়।

ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশনের চটপটি ব্যবসায়ী আজিজ মিয়া, বাচ্চু মিয়া ও বাদাম ব্যবসায়ী টিটু মিয়াসহ কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তারা জানান, গত মাস কয়েক ধরে এই স্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়ে গেছে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই এই স্টেশন এলাকায় নেশাখোরদের আনাগোনা চোখে পড়ে। পুলিশ দেখলে তারা স্টেশনের সামনের কলা বাগানের দিকে নেমে যায়। তাদের ভয়ে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। মূলত এসব নেশাখোররাই ছিনতাইসহ বিভিন্ন বড় বড় অপরাধ করে।

ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশনের প্রধান সহকারী টিকেট মাস্টার মো. ইয়াসিন মিয়া বলেন, কয়েক মাস ধরে স্টেশন এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা একটু বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ (পরিদর্শক) জহিরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এক সময় ঘোড়াশাল রেল স্টেশন এলাকায় বিভিন্ন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। আমি ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এলাকার বিভিন্ন চিহ্নিত ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করায় এখন ছিনতাইয়ের ঘটনা একদম নাই বললেই চলে।

সর্বশেষ - আইন আদালত