ঢাকারবিবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গণমাধ্যম
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ জুড়ে
  15. দেশ পরিবার

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ

online editor
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২ ১:১৫ অপরাহ্ণ

আমদানি-রপ্তানির ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্য হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়ন ও গবেষণা পরিষদ। শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সভায় এ তাগিদ দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক সদস্য কমোডর (অব.) জোবায়ের আহমদ বলেন, ১৯৭৭ সাল থেকে এ বন্দরে কনটেইনারের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি পণ্যসামগ্রী পরিবহণ শুরু হয়, যা এখন প্রায় ৩২ লাখ টিইইউএস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সমমান) কনটেইনারে উন্নীত হয়েছে। আগামী দিনে ভারতের ৭ রাজ্যে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিলে এ বন্দরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি আরও বাড়বে। তাই এ বন্দরকে দেশের ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। গ্রহণ করতে হবে নতুন নতুন পরিকল্পনা।

চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়ন ও গবেষণা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান খানের সঞ্চালনায় সভায় বন্দর উন্নয়নসংক্রান্ত বেশ কয়েকটি প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন কমোডার (অব.) জোবায়ের আহমদ।

এসব প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে-পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল ও বে-টার্মিনাল নির্মাণ দ্রুত শেষ করা, টার্মিনালে স্বচ্ছতার মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে যোগ্য ও অভিজ্ঞ টার্মিনাল অপারেটর নিয়োগ দেওয়া, নাব্য রক্ষায় সদরঘাট থেকে কর্ণফুলী নদীর মোহনা পর্যন্ত খননকাজ শুরু করা, মাতারবাড়ী পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করে যোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ অপারেটর নিয়োগ দেওয়া। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগরীর জন্য মেট্রোরেলের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পে বন্দর এলাকাকে সংযুক্ত করা, কনটেইনার হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজ করা, নিলামযোগ্য কনটেইনার বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করে কনটেইনার জট এড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া।

সভায় বলা হয়, রেল ও পানিপথ ব্যবহার করে ঢাকায় কনটেইনার পরিবহণ বাড়াতে হবে। বর্তমানে বছরে রেলের মাধ্যমে ৭০ হাজার টিইইউএস কনটেইনার পরিবহণ হয়। তা ৫ লাখে উন্নীত করা দরকার। এতে রেলওয়ের আয় বাড়ার পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর যানবাহনের চাপ কমবে। দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটার ক্ষেত্রে বন্দর কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যয় ক্ষমতা বাড়াতে হবে।

সভায় অভিযোগ করা হয়, বন্দরের শ্রম শাখার অন্তর্ভুক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ না দিয়ে লাখ টাকার বিনিময়ে নাম-পরিচয়হীন বহিরাগত লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা বন্দরের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

সভায় বক্তব্য দেন মাহফুজুর রহমান খান, বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার সলিমুল্লাহ খান, ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী, সাংবাদিক নাজিমুদ্দীন শ্যামল, অঞ্জন কুমার সেন, এম নাসিরুল হক, জসিম চৌধুরী সবুজ, তপন চক্রবর্তী প্রমুখ।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - আইন আদালত