ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২০ জানুয়ারি ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ জুড়ে
  14. দেশ পরিবার
  15. দেশ ভাবনা
সপ্তম দিনে ছাত্র আন্দোলন

ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অনশনে অনড় শিক্ষার্থীরা

সহকারী ব্যুরো (সিলেট)
জানুয়ারি ২০, ২০২২ ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন চলছে। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিকাল পৌণে ৩টা থেকে এই অনশন শুরু করেছেন ২৪ শিক্ষার্থী। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় ২২ ঘন্টা। তবুও তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশন চালিয়ে যাচ্ছে।
হাসপাতালে দুই শিক্ষার্থী 
শাবিতে আন্দোলনরত দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় এই দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন-বাংলা বিভাগের মোজাম্মেল হক এবং সমাজকর্ম বিভাগের দীপান্বিতা বৃষ্টি। তাদেরকে সিলেটের বেসরকারি মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফিরে গেলন শিক্ষকরা
এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সহমর্মিতা জানাতে বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষসহ প্রায় দুইশ’ শিক্ষক সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাঁদেরকে কথা বলার সুযোগ দেননি। তারা দাবি করেন, যদি শিক্ষকরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন, তবেই তাঁরা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় উপাচার্য 
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে, তা মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমের দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছিলাম। তবে কিছু দিনের সময় তাদের কাছে চেয়েছি। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চলমান রাখেন। পরে প্রশাসন ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা তাদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তারা আলোচনা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন।
মর্মাহত ভিসি
চলমান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে আমরা বিব্রত ও মর্মাহত বলে জানিয়েছেন ভিসি। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমার যদি কোনো দোষ থাকে, তাতে সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে কোনো ধরনের অন্যায় পেয়ে থাকেন, তাহলে সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে আমি মেনে নিতে রাজি। আমি চাই এ ঘটনার সুষ্ঠু একটা তদন্ত হোক।
ঘটনার শুরু
গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে সিরাজুন্নেছা ছাত্রী হলের প্রভোস্টের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ছাত্রীরা আন্দোলন শুরু করেন। এর এক পর্যায় রোববার দাবি আদায়ে ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ করে, রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। শিক্ষার্থীরাও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে পরদিন সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগেরও নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে এ ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা টানা সাত দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া