ঢাকাসোমবার , ১০ জানুয়ারি ২০২২
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

আখাউড়ায় সড়কের কাজ শেষ না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

রুবেল আহমেদ, আখাউড়া প্রতিনিধি
জানুয়ারি ১০, ২০২২ ৫:০৯ অপরাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার আদমপুর থেকে রাজেন্দ্রপুর মোড় পর্যন্ত ৭শত ৫৪ মিটার সড়কে ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কারকাজ শেষ না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কর্পেটিং করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
সংস্কারের এক সপ্তাহে কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোগড়া ইউনিয়নের আদমপুর থেকে রাজেন্দ্রপুর মোড় পর্যন্ত ২৩ লাখ টাকায় ব্যয়ে ৭শত ৫৪ মিটার রাস্তার সংস্কার করে কার্পেটিং করার কার্যাদেশ পান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজ কন্সেট্রাকশন। ইতোমধ্যে সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ প্রায় শেষ।
নিম্নমানের বিটুমিন, সুড়কিসহ অন্যান্য উপকরণ দিয়ে কার্পেটিং করায় এক সপ্তাহের মধ্যে ওই সড়কের কার্পেটিং উঠতে শুরু করেছে। পাশাপাশি রিটার্নিং দেওয়াল করে মাটি ভরাট না করায় পুরো সড়ক জুড়েই দেখা দেয় ফাটল। স্থানীয় যুবকরা সদ্য সংস্কার করা সড়কের কার্পেটিং হাতে টেনে তুলতে দেখা যায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে সড়কটি সংস্কার করেছেন। শুরু থেকেই এলাকাবাসী উন্নতমানের উপকরণ দিয়ে কাজ করার জন্য অনুরোধ জানালেও ঠিকাদার তা আমলে না নিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে সড়কে কার্পেটিং কাজ সম্পন্ন করেছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী উপজেলা প্রকৌশলীকে একাধিকবার জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি সংস্কারের সঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় শুরুতেই ঠিকাদারের নিয়োজিত লোকজনদের বাধা দেওয়া হয়। ওই কাজে তদারকিতে থাকা সহকারী উপসহকারী প্রকৌশলীকে (এসও)  জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজ কন্সেট্রাকশনের ঠিকাদার মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজের গুণগতমান ঠিকরেখেই কাজ করেছেন বলে দাবি করে তিনি। কার্পেটিং উঠে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন নতুন কাজ এখনো বসে নাই তবে বসে যাবে। আর কাজটা সবচাইতে ভালো মেশিনে করা হয়েছে। এই মেশিনটা দেশের সব জায়গাতে নেই।
উপসহকারী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন,কাজের গুণগতমান ও বিটুমিন ঠিক আছে কিনা তা টেষ্টের জন্য লেভে পাঠানো হবে। যদি লেভ টেষ্টে সঠিক না হয় তাহলে কাজ নতুন করে করা হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল লতিফ জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি অবগত হয়েছি। কাজে যদি অনিয়ম হয় আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া