ঢাকাশুক্রবার , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন বোয়ালখালীর ‘মেধসমুনি আশ্রম’

dWPKOARWAa
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ


অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভুমী চট্টগ্রামের সৌন্দর্যকে বহুগুনে বিকশিত করেছে অরণ্য ঘেঁষা বোয়ালখালীর মেধসমুনি আশ্রম।এটি কেবল ঈশ্বরের আরাধনার স্থান নয় প্রাকৃতিক অপার বিস্ময়ের তৃষ্ণা অভায়রন্যের জন্যেও বিখ্যাত।


“উদ্ভাবনী থিম” পূজার মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায় যেমন ইশ্বরের আরাধনা করে ঠিক তেমনি প্রকৃতি প্রেমিকরা এই আশ্রমে এসে প্রকৃতির পুজা করে। ঈশ্বর এবং প্রকৃতির নিগাড় সমন্বয়ে ভক্তদের মাঝে প্রানের সম্পুরন ঘটে। সৃষ্টিকর্তা নিজের হাতেই যেন সাঁজিয়েছেন তার সকল সৌন্দর্য দিয়ে। বোয়ালখালীর কড়লডেঙ্গা পাহাড়ে অবস্থিত এই আশ্রমটি উদ্ভাবনী থিমের পুজা মণ্ডপের জন্য বিখ্যাত এমন নয়। আশ্রমটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে ও শিল্প উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে দূরে গড়ে উঠেছে, যেখানে দর্শনার্থীরা ভেতরকার শান্তি খুঁজে নেয়ার সুযোগ পায়। ইতিহাস ও কামাক্ষ্যা পুরাণের কিংবদন্তী মতে, সত্য যুগে রাজা সুরথ ঋষি মেধসের কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর বসন্তকালে মেধসমুনি আশ্রমে প্রথম দুর্গা পূজা করেছিলেন। স্বামী বেদানন্দ মহাত্মাই ১৯০০ সালে যোগবলে জ্ঞাত হয়ে এ পুণ্যতীর্থ উদ্ধার করেন। আশ্রম পুনরুদ্ধারের পর থেকেই মেধসমুনি আশ্রমকে ভক্তদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম তীর্থস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আশ্রমটি আবারো ধ্বংস হয়ে যায়। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী সমগ্র জায়গাটিকে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত করে ও ছয় ফুট লম্বা দেবমূর্তি ধ্বংস করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই পবিত্র আশ্রমের যত্ন নেওয়ার মতো কেউ ছিল না। ভক্ত, সাধু ও পণ্ডিতদের সমন্বয়ে আশ্রম কমিটি পুনর্গঠিত হয়। আশ্রমের পেছনে কমিটির সময় ব্যয় ও সমর্পণের জন্য আশ্রম আবারও তার অতীত মহিমা পুনরুদ্ধার করেছে।সরেজমিনে দেখা যায় আশ্রমে চণ্ডী মন্দির, শিব মন্দির, সীতা মন্দির, তারা কালী মন্দিরসহ ১০টি মন্দির রয়েছে। আশ্রমের প্রধান ফটক দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার গেলে ওপরে ওঠার সিঁড়ি। প্রায় ১৪০টি সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠলে মেধস মুনির মন্দির চোখে পড়বে। এই মন্দিরের পরই দেবী চণ্ডীর মূল মন্দির অবস্থিত। এর একপাশে রয়েছে সীতার পুকুর, পেছনে রয়েছে ঝরনা। মন্দিরের পেছনে সাধু সন্ন্যাসী ও পুণ্যার্থীদের থাকার জন্য রয়েছে দোতলা ভবন। প্রায় ৬৯ একর জায়গাজুড়ে স্থাপিত হয়েছে এই মন্দির। প্রতি বছর মহালয়ার মাধ্যমে দেবী পক্ষের সূচনা হয় এই মন্দিরে। আশ্রম গেটের কিছুটা আগে রাস্তার বামে রয়েছে একটি পদ্মপুকুর, সাথে বিশ্রামাগার। এই এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩০০,০০০ গাছপালার আবাস, যার মধ্যে রয়েছে মেহগনি, সেগুন, রেইন ট্রি, শিউলি, হাসনাহেনা, করবী, কৃষ্ণচূড়া, কনকচূড়া, বাঁশগাছ, কলাগাছসহ প্রভৃতি উদ্ভিদ।আশ্রমের লোকেরা কয়েক দশক ধরে এদের প্রতিপালন করেছে। প্রায় ৫০০ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় উঠার পর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা সম্ভব। পাহাড়ের উপরে সবকিছুই নীরব, কেবল পাখির কূজন ও সরীসৃপদের আবাসস্থলের চারদিকে আবর্তনের শব্দের পাশাপাশি ভক্তিমূলক ভজন ও পূজার সময় ব্যবহৃত পিতলের ঘণ্টার টুংটাং শব্দ শোনা যায়।সারি সারি পাহাড়, পাহাড়ের মাঝে জুমচাষ, দূরে মেঘাচ্ছন্ন আকাশের নিচে ঝাপসা প্রকৃতির দৃশ্য, ঠাণ্ডা হাওয়া এসবকিছু উপভোগ করে ভালো লাগার মতো সময় এখানে কাটানো যায়।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

আজ ন্যায় বিচারের দিন, আবরার হত্যার রায় ১২টায়

শঙ্কা আর সতর্কতায় তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন শুরু

রূপগঞ্জে কার ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত

ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকেট বন্ধ থাকার সুযোগে অ্যাটেনডেন্টরা বেপরোয়া

চিত্রা মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও উৎপাদন কৌশল উদ্ভাবন

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সু-চিকিৎসার দাবী না মানলে গণ আন্দোলন

টইটং ইউনিয়নে জিতলেন যারা

ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

নিখোঁজ হওয়া ইসরাফিলের লাশ ৫ দিন পর উদ্ধার, আটক ৩

আজ ১৬০ ইউপি ও ৯ পৌরসভায় ভোট শুরু

ফরিদপুরে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত মিরসরাই আওয়ামী লীগ নেতা