ঢাকারবিবার , ১ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গণমাধ্যম
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ জুড়ে
  15. দেশ পরিবার

জুড়ীতে অবৈধ করাতকল পুনরায় চালু করাতকল

dWPKOARWAa
আগস্ট ১, ২০২১ ৫:২৪ অপরাহ্ণ


মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় একটি করাতকল পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বন বিভাগ থেকে অবৈধ ঘোষণার প্রায় ১ বছর বন্ধ থাকার পর আবার ও বন বিভাগের যোগ সাজসে চালু হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, করাতকলটির কোনো লাইসেন্স নেই হাইকোর্টে একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এটি চলমান ছিলো আর এই রিট আবেদনটি বাতিল করার জন্য আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।



জানা যায়, জুড়ীর হামিদপুর গ্রামের লতিফ খা’ প্রায় ৭ বছর পূর্বে মানিকসিংহ বাজারে একটি করাতকল চালু করেন। করাতকল লাইসেন্স বিধিমালা ২০১২ এর (৭) ক ধারা মোতাবেক সংরক্ষিত বন থেকে ১০ কি.মি ভেতরে করাতকল বা সমিল বসানোর নিয়ম না থাকলেও মাত্র ৫ কি.মি এর ভেতরে তিনি এটি চালিয়ে যাচ্ছেন। করাতকলের লাইসেন্সের আবেদন করলে ২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী জুড়ী রেঞ্জ অফিস থেকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়নি।


কোন কাগজপত্র না থাকায় হাইকোর্টে একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এটি চলমান ছিল। প্রতি বছর রিটের মেয়াদ বাড়িয়ে তিনি এ করাতকল চালিয়ে যাচ্ছেন। সর্বশেষ হাইকোর্টের রিটের মেয়াদ শেষ হয় ২০১৯ সালের জুন মাসে। এ করাতকল টি অবৈধ দাবি করে জনস্বার্থে স্থানীয় লুজু খা নামের এক ব্যক্তি ২০২০ সালের ১৯ অক্টোবর সিলেট বিভাগীয় বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করে। পরে সরেজমিনে পরিদর্শনে বন বিভাগ সমিলটি অবৈধ বলে ঘোষণা করে। করাতকলের কাগজের সাথে মালিকের জায়গার কাগজের ও কোন মিল পাওয়া যায়নি। করাতকলটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গায় ছিল। বন বিভাগের এ ঘোষণার পর মালিকপক্ষ সমিলটি বন্ধ রাখে।


গত ২৯ জুলাই ২০২১ ইং তারিখ থেকে তিনি পুনরায় করাতকল চালুর কাজ শুরু করেন। এতে এলাকার মানুষ বন বিভাগকে খবর দিলে তারা প্রথম দুইদিন এসে করাতকলের কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে মালিকপক্ষ আবার কাজ শুরু করে। এ যেনো এক অদৃশ্য কারনে বন বিভাগের লোকজন আসেনি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় লুজু খান সহ এলাকার কয়েকজন।


এবিষয়ে জুড়ী রেঞ্জের কর্মকর্তা আলাউদ্দিন বলেন, হাইকোর্টে একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে করাতকলটি রেলওয়ের ভূমিতে চালিয়ে ছিলো, মাঝখানে কিছু দিন বন্ধ ছিলো হঠ্যাৎ করে করাতকলটি আবার চালু করলে এলাকার লোকজন আমাকে জানান, বিষয়টি জানাতে পেরে সেখানে যাই ও করাতকল বন্ধ রাখার জন্য বলি এবং করাতকল মালিক লতিফ খা’কে জনানো হয়। বৈধ লাইন্সে নিয়ে করাতকলটি না চালালে আমরা আইন-আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদ হোসেন জানান, করাতকলটি পূনরায় চালু করা বিষয়টি জানতে পেরেছি, জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বলে দিয়েছি লাইন্সে না থাকলে করাতকলটি বন্ধের জন্য আইন-আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - আইন আদালত