ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ জুলাই ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গণমাধ্যম
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ জুড়ে
  15. দেশ পরিবার

কেরানীহাট-বান্দরবানে পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ

dWPKOARWAa
জুলাই ২৯, ২০২১ ৯:২৯ অপরাহ্ণ


প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্টি বন্যায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়ক বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ২০ হাজার মানুষ।


কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের একাধিক স্থান পানিতে ডুবে গেছে। পানি ডিঙ্গিয়ে কোন রকমে যানবাহন চলাচল করলেও পানি বৃদ্ধি পেলে যে কোন মুর্হুতে বান্দরবানের সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শণ ও একাধিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। জানা যায়, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বুধবার (২৮ জুলাই) থেকে উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া শঙ্খ নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বুধবার রাত থেকে বাজালিয়া মোটর ষ্টেশনস্থ মসজিদের পাশ দিয়ে বাধ উপচে পানির শ্রোত লোকালয়ে চলে আসা শুরু করলে মানুষের মাঝে আতংক দেখা দেয়।

ইউপি সদস্য সামশুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত থেকে বাধ উপছে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পানি কমতে শুরু করে। ফলে বাজালিয়া ইউনিয়নের মাহালিয়া এলাকা ও দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে গ্রীণ টাচ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যে কোন সময় ঐ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। এদিকে সাতকানিয়া সরকারী কলেজ সড়কের উপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হওয়ায় ঐ সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সাতকানিয়া আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ফয়েজ আহমদ লিটন জানান, অপরিকল্পিত ভাবে রেললাইন তৈরী করায় পৌরসভার গোয়াজর পাড়া, আশেকের পাড়া ও ইছামতিকুল এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।

উত্তর সাতকানিয়া যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাডি ঢলে কেওচিয়া, বাজালিয়া ও পুরানগড় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এওচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিক জানান, তার ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তত দুই হাজার রয়েছে পানিবন্দি অবস্থায়। চরতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ডা. রেজাউল করিম জানান, চরতী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামীণ সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় হাজারো মানুষ পানি বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। এছাড়াও নলুয়া ইউনিয়নের বিল্লা পাড়া, মরফলা, মরিচ্যা পাড়ার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, টানা বর্ষনের কারনে পাহাড়ধসের আশংকা থাকায় আমাদের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থারতদের সরিয়ে নেয়ার জন্য জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ-জোহরার সরকারী সেল ফোন নাম্বারে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় পানিবন্দি মানুষদের জন্য প্রশাসন কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানা যায়নি।


তবে উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আনজুমান আরা বেগম বলেন, আজকে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে একাধিক চেয়ারম্যান বন্যায় মানুষ পানি বন্দি হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - আইন আদালত