ঢাকাশুক্রবার , ২৩ জুলাই ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গণমাধ্যম
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ জুড়ে
  15. দেশ পরিবার

অক্সিজেনের মাত্রা নিচে নামলেও জানেন না রোগী

dWPKOARWAa
জুলাই ২৩, ২০২১ ৭:০৯ অপরাহ্ণ


পাঁচদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত কালাম আলী (পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মনাম)। বয়স ৪০। সাথে প্রচন্ড দূর্বলতা। গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েও কাজ হয়নি। তাই নিরুপায় হয়ে এলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। করোনা উপসর্গ থাকায় অন্যদের মতো শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা মাপা হয় কালাম আলীর। ফলাফল দেখে অবাক চিকিৎসক। অক্সিজেনের মাত্রা ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে। যেটা রোগী নিজেও জানেন না। সাথেসাথে জরুরি বিভাগেই তাকে অক্সিজেন দেওয়া শুরু হয়।



জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সওগাত উল ফেরদৌস বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিকে চিকিৎসার ভাষায় সাইলেন্ট হাইপোক্সিয়া বলে। এরকম হলে রোগী নিজেও জানেন না তার শরীরে অক্সিজেন লেভেল কমে গেছে। এসব ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টের রোগীর মত যুদ্ধ করেনা। তাকে আট লিটার অক্সিজেন দেওয়ার পরে ৮০ শতাংশের কাছাকাছি অক্সিজেন লেভেল চলে আসে।


অন্যদিকে বেশিভাগ জনসাধারণের মধ্যে মাস্ক পড়তে অনিহা রয়েছে। টিকা নেননি এরকমও লোকজন কম নয়।


এ বিষয়ে চিকিৎসক সওগাত উল ফেরদৌস বলেন, জরুরি বিভাগে যেসব রোগী আসেন তাদের বেশির ভাগ মাস্ক পড়ে আসেননা। জোর করে মাস্ক পড়াতে হয়। করোনার উপসর্গ থাকা কাউকে অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে করোনা পরীক্ষা করাতে বললে বলেন “আমার কিছু হয়নি। টেস্ট করাতে হবেনা। এসব তো প্রতিনিয়ত হচ্ছেই।


চাম্বল ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য জানান তিনি এখনো করোনার টিকা নেননি। কেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ভয় লাগে।


এই দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি রোগীর রয়েছে করোনার উপসর্গ। কারো জ্বর, কারো কাশি, কারো গলাব্যাথা, কারো ডায়রিয়া, মাথ্যাব্যাথা ইত্যাদি। তবে সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টিকা দেওয়ার প্রবণতা বেশ বেড়েছে। প্রতিদিন পাঁচ শয়ের মতো লোকজন করোনার টিকা নিতে আসছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টিকা দেওয়ার দায়িত্বে থাকা টিকা পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন।


উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টেস্টের দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান (ল্যাব) পরিতোষ বড়ুয়া বলেন, পহেলা জুলাই থেকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয়েছে। এরপর থেকে করোনা পজেটিভ ব্যক্তির সংখ্যা বেড়েছে। কেউ নেগেটিভ আসলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আরটিপিসিআর করানো হচ্ছে। কারণ অ্যান্টিজেন টেস্টে পজেটিভ মানে শতভাগ পজেটিভ। নেগেটিভ মানে শতভাগ নেগেটিভ নয়। ইতিমধ্যেই উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত শত পার হয়েছে। এ দিকে লকডাউনের প্রথমদিনে উপজেলার প্রধান সড়ক ছিল বেশ ফাঁকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান চৌধুরীকে সেনাবাহিনী নিয়ে সড়কে টহল দিতে দেখা গেছে।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - আইন আদালত