1. ayanabirbd@gmail.com : deshadmin :
  2. hr.dailydeshh@gmail.com : Daily Desh : Daily Desh
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

২য় পর্ব

মিশন আফগানিস্তান

হারুন চৌধুরী
  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০

আমি থাকতে তোমার কোনো ভয় নেই, জান দিয়ে তোমাকে বাঁচাবো! আমি পাঠান, জান দেব তবু জবান বদলাবেনা! পাঠানদের নিয়ে অনেক মজাদার গল্প শুনেছিলাম অনেক আগেই। কিন্তু আজ এই পাঠানের আমাকে জীবন দিয়ে রক্ষা করার যে উদীপ্ত অঙ্গিকার নিজ চোখে দেখতে পেলাম তার বর্ণনা নাই বা দিলাম আজ। যেটুকু ভয় ছিলো নিমিষেই উড়ে গেলো। গাড়িতে বসে বসেই দেখছিলাম পেশাওয়ার শহরের ঐতিয্য, মুগল শিল্পীদের নকশা করা দালান কোঠা আর রাস্তার দুপাশের স্ট্রিট ফুডের রেস্টুরেন্ট গুলোতে উপচে পড়া মানুষের ভিড়। আমার কৌতহল বুঝতে পেরে বিসমিল্লাহ খান জানালো রোজ সকালে ভিড় জমে এখানে নেহারি খাবার জন্য।


চোখে পড়লো সারি সারি শুকনো ফলের দোকান। হরেক রকম শুকনো ফলের প্যাকেট সাজিয়ে রাখা। মনে করিয়ে দিলো সেই কবিগুরুর  কাবুলিওয়ালা গল্পের কথা।

বিসমিল্লাহ খানের দিকে ফিরে তাকালাম। কেন জানি মনে হতে লাগলো কবিগুরুর সেই কাবুলিওয়ালা আমার পাশেই বসে আছে। স্মৃতির পর্দায় ভেসে উঠলো রবি ঠাকুরের অমর সৃষ্টি ছোট গল্পের ‘কাবুলিওয়ালা’র কথা। বিশাল তার দেহ, কিন্তু মনটি পাঁচ বছরের শিশুর মতো কোমল উষ্ণতায় ভরপুর। কাবুলিওয়ালা সম্ভবত এশিয়ায় সাহিত্যে প্রথম নোবেল বিজয়ী রবি ঠাকুরের সবচেয়ে সুপরিচিত গল্প।

কাহিনীটি ১৮৯২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং তাৎক্ষনিক পাঠকদের কাছে হয়েছিল সমাদৃত। এই কাহিনীর মোহনীয়তা আকৃষ্ট করেছে সকল শ্রেণীর পাঠককে শত শত বছর ধরে। এক মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের পাঁচ বছরের বালিকা মিনি ও এক মধ্যবয়সী বিশালাকার আফগান শুকনো ফল বিক্রেতার  মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ও তাদের বন্ধনের উষ্ণতা, ভাষা, বয়স এবং সংস্কৃতি অতিক্রম করেছে তারই চিত্র লেখনীর সুকৌশলে বন্দি করে গেলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

এই শক্তিশালী গল্পটি কীভাবে রচনা করেছিলেন তা নিয়ে কোনও লিখিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। যদিও কবিগুরুর একজন শিক্ষার্থী সৈয়দ মুজতবা আলীর কাছ থেকে কাবুলীওয়ালার ব্যাকস্টোরি জানা গিয়েছিল। কবিগুরুর প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় শান্তিনিকেতনের একসময় শিক্ষার্থী ছিলেন সুনামধন্য আমার প্রিয় লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী।

একদিন, রবি ঠাকুর কলকাতার চিতপুর রোডের উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। যার উপরে তাঁর পরিবারের বাড়িটি ছিল।  তার মনোযোগ আকর্ষণ করে এক লম্বা বিশাল আকৃতির লোক এক অদ্ভুত পোশাকে রাস্তার পাশে বসে ছোট্ট একটি বাঙালি মেয়ের সাথে কথা বলছে। দুটি ভাষায় তাদের অবিরাম কথাবার্তা তাঁর কৌতূহল জাগিয়ে তুলেছিল।  তিনি লোকটির সাথে কথা বলে জানতে পেরেছিলেন যে তিনি আফগানিস্তানের একজন শুকনো ফলের বিক্রেতা ছিলেন যিনি তাঁর মেয়েকে, ছোট বাঙ্গালী মেয়েটির মতো একই বয়সে বাড়িতে রেখে এসেছিলেন। বাঙালি মেয়েটি তাকে তার নিজের মেয়ের কথা মনে করিয়ে দিল;  তাই তিনি তার সাথে কথা বলে নিজের মেয়ের সান্নিদ্ধ বোধ করছেন।  এই ঘটনাটি সৈয়দ মুজতবা আলীর দেয়া তথ্য অনুসারে কাবুলিওয়ালা গল্পের উৎস।

ভাবনার সাগরের অতলে কেমন যেনো তলিয়ে গিয়েছিলাম। ফিরে এলাম বাস্তবে, বিসমিল্লাহ খানের ডাক শুনে। ততক্ষনে আমরা পৌঁছে গেছি পেশাওয়ার থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী আফগান রিফুইজি ক্যাম্পে। বিশাল এলাকা নিয়ে অবস্থান করছে এই ক্যাম্পটি। দীর্ঘ বিশ বছরেরও অধিক সময় থেকে। দেড় মিলিয়ন ঘর বাড়ি হারানো অসহায় আফগানরা প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিয়েছিল পাকিস্তানের এই বর্ডার শহরে। এমনি করেই একাত্তরের স্বাধীনতার যুদ্ধে উদ্বাস্তু হয়ে পাশবর্তী দেশ ভারতে আশ্রিত হয়েছিল কয়েক লক্ষ বাঙালি। পার্থক্য হলো বাঙালিরা জয় ছিনিয়ে নিয়ে নিজ দেশে ফিরতে পেরেছিলো। কিন্তু আফগানদের সেই সৌভাগ্য হয়নি।  দীর্ঘ  বিশ বছর ধরে এই ক্যাম্পেই কাটাতে হচ্ছে বন্দি জীবন।

সিকিউরিটি চেকআপ সম্পন্ন করে মেইন গেইট দিয়ে ক্যাম্পের ভিতরে ঢুকে পড়লাম। আমাদের ক্যাম্প ঘুরে দেখানোর জন্য চার জনের একটি টিমকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হল। এখানেই দেখা হয়ে গেলো ডা: জানাতের এর সাথে! মিষ্টি এক টুকরো হাসি দিয়ে নিজের পরিচয় দিলো। সে উনিসেফ (UNICEF) এর শিশু হাসপাতালের ডাক্তার। প্রথম দর্শনেই মেয়েটিকে কেন জানি বাঙালি মেয়ের মতো মনে হলো। বুদ্ধি দীপ্ত চেহারা। পরনের সেলোয়ার কামিজের উপর সাদা এপ্রোন। গলায় ঝুলানো স্টেথিস্কোপ।  হালকা করে মেকআপ করেছে। ভারী সুন্দর লাগছিলো। খুব গুছিয়ে কথা বলতে পারে সহজেই বুঝতে  পারলা। ক্যাম্পের শিশুদের আর যুবতী মহিলাদের কথা বলতে গিয়ে তাকে খুব অসহায় লাগছিলো। জানালো যুবতী মেয়েরা ট্রাফিকিং এর শিকার হচ্ছে প্রতিদিনই। কারো না কারো কিশোরে বালক বা যুবতী মেয়ে মিসিং হয়ে যাচ্ছে। ক্যাম্পে সিকিউরিটি গার্ড থাকা সত্ত্বেও। অন্ধকার নেমে আসলে সাহস করে মেয়েরা দূরের টয়লেট পর্যন্ত যেতে ভয় পায়।

প্রেগন্যান্ট মহিলারা রেগুলার চেকআপ করতে আসেনা। তাই চাইল্ড ডেথ পার্সেন্টেজ অনেক বেশি। স্বামীরা স্ত্রীদের ধর্মীয় বিধি নিষেদের দোহাই দিয়ে  রেগুলার ক্লিনিক এ এসে চেকআপ করতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ডাক্তার জান্নাতের ব্রিফিং শুনতে শুনতে মনটা বিষন্নতায় ভরে উঠলো।

ইতোমধ্যেই লাঞ্চের সময় হয়ে গেলো।  খাবার খেতে খেতেই  আলাপ আলোচনা চলছিল।  লক্ষ করলাম জান্নাত বার বার আমার দিকে তাকাচ্ছে। চোখে চোখ পড়তেই জিগ্যেস করেই বসলো ‘তুমি কি বাংলাদেশী?’ মাথা নেড়ে জবাব দিতেই ভাঙা ভাঙা বাংলায় বললো আমিও অর্ধেক বাঙালি। আমার মা তোমাদের দেশের মেয়ে।

শেষ পর্যন্ত আমার সন্দেহটাই সত্যি হলো। ওর কোমলমতি চেহারা দেখেই প্রথম থেকেই মনে হচ্ছিলো বাঙালি হতে পারে।

লাঞ্চ শেষ করে আবারো ক্যাম্পের অন্যান্য প্রজেক্ট গুলো পরিদর্শন করতে করতে প্রায় সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। এবার বিদায় নেবার পালা। জান্নাত আমার খুব কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। খুব নিচু স্বরে আমাকে ওর ভাঙা বাংলায় বললো, ‘তোমাকে  আমার  মা দাওয়াত করেছেন। কাল সন্ধ্যায় তোমাকে আসতেই হবে।’  হঠাৎ করে আমার হাত ধরে বললো তুমি কিন্তু না বলতে পারবেনা। আমার মা দীর্ঘ ২৫ বছর থেকে কোনো  বাঙালির  সাক্ষাৎ পাননি। আমার বাবা ছিলেন পাঠান। বাবা কর্মরত ছিলেন ৭১ সালে কাপ্তাই, চট্টগ্রামে। তোমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে বাবা মাকে নিয়ে বার্মা হয়ে পাকিস্তানে চলে আসেন।  উনি ইন্তেকাল করেছেন প্রায় পাঁচ বছর হলো।

মা সব সময় বাংলাদেশের কথা স্মরণ করেন। মাঝে মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করতে দেখেছি। আমি কোনোদিন বাংলাদেশ দেখিনি। তবুও কেমন যেন এক টান অনুভব করি। মায়ের কান্নায় আমার ও কান্না আসে।  এক নাগাড়ে কথা গুলো বলে ফেলে জানতে চাইলো, ‘তুমি বিরক্ত হচ্ছোনাতো?’ মাথা নেড়ে জানালাম , না মোটেই না।

ভাবছিলাম শেকড়ের টান যে কত শক্ত তারই জ্বলন্ত শিখা আমার সামনে সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

মেয়েটির করুণ মিনতি আমাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। আমার শত ব্যস্ততার মাঝেও কি একটু সময় করে নিতে পারব এই মেয়েটির জন্য? জান্নাত  উত্তরের অপেক্ষায়  পলকহীন তাকিয়েই আছে ………

এই পাঠান মুলুকে এক আধা বাঙালি রূপসী পাঠান ললনার হাতের মিষ্টি পরশ ভালোই লাগছিলো। জান্নাত কথা বলতে বলতে ভুলেই গিয়েছিলো আমার হাত ধরে আছে সেই অনেকক্ষন। বুঝতে পেরে হাত ছেড়ে দিয়ে লজ্জায় রাঙা হয়ে হয়ে একটু সরে দাঁড়ালো। বিসমিল্লা খান এবার সামনে এসে বললো, অনেকটা পথ যেতে হবে, সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। জান্নাতের দিকে ফিরে তাকাতেই বললো, ‘আমার মা কিন্তু বাঙালি রান্না ভুলে যাননি এখনো।’ চালাক মেয়ে, বাঙালিকে আকৃষ্ট করার ডিপ্লোম্যাসি ঠিকই শিখে নিয়েছে, ভাবতে ভালোই লাগলো।

জীপে উঠে বসতেই বিসমিল্লাহ খান বললো, ‘ ডাক্তার সাহেবা তোমাকে খুব পছন্দ করেছে, তাইনা ?’ পাঠানরা বুঝি এমনিই, যা ভেবেছে তা সোজাসুজি বলেই ফেলে। কথা না বাড়িয়ে মাথা নেড়ে সম্মতি জানানোই শ্রেয় মনে করলাম। আবার প্রশ্ন, ‘কাল তুমি ডিনার করতে যাচ্ছ ?’  জানালাম , ‘যাচ্ছি , তোমাকে নিয়েই যাব।’

বিসমিল্লাহ খান আর কোনো প্রশ্ন না করেই  গাড়ী ছেড়ে দিলো পেশাওয়ারের পথে। পিছন ফিরে একনজর দেখে  নিলাম।  জান্নাত তখনও ঠাঁয় দাঁড়িয়েই আছে।

এই অল্প সময়ের পরিচয়ে মেয়েটির জন্য কেমন যেন একটা অনুভূতির শিহরণ সারা দেহ মনে উপলব্ধি করলাম।

লক্ষ করলাম বিসমিল্লাহ খান আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছে। বেশিক্ষন চুপ চাপ  থাকতে পারেনা। কিছু একটা বলতে চায়।

জিগ্যেস করলাম গেস্ট হাউস ফেরার পথে একটু পুরানো টাউন হয়ে যেতে চাই। রাতের পেশওয়ার দেখার খুব ইচ্ছে! বিসমিল্লাহ খান মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়ে বললো আমি তোমাকে এই কথাটিই  জিগ্যেস করতে চেয়েছিলাম। তোমাকে নিয়ে যাবো কিস্সা খোয়ানি বাজার (story-tellers’  -bazar) যেখানে দেখতে পাবে বিচিত্রময় দোকানপাট আর খুঁজে পাবে ব্রিটিশ উপনিবেশদের বিরুদ্ধে প্র্রতিবাদী জনগোষ্টির সংগ্রামী ইতিহাস। প্রস্তাবটি উত্তম, তাই এক বাক্যেই রাজি হয়ে গেলাম।

(চলবে…………)


লেখক পরিচিতিঃ

কৃষি অর্থনীতিবিদ হারুন চৌধুরীর জন্ম বৃহত্তর সিলেট জেলার কুলাউড়ায় উপজেলায়। পড়াশুনা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ ও সুইডিশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ‘উপসালা’তে। বর্তমানে সুইডিশ নাগরিত্ব নিয়ে বসবাস করছেন সুইডিশ রাজধানী স্টকহলম শহরে। কর্মজীবনে সুইডিশ আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা’র  ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের  বিভিন্ন উন্নয়ণ মূলক প্রজেক্টে  দায়িত্বপূর্ণ পদ নিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশে কর্মরত ছিলেন। হারুন চৌধুরী সুইডিশ দূতাবাস ইসলামাবাদে ডিপ্লোম্যাট হিসাবে কর্মরত ছিলেন কয়েক বছর। সেসময় আফগানিস্তান ও পাকিস্তান কে প্রদত্ত সুইডিশ সাহায্যের মনিটরিং, এভালুয়েশন ও রেকোমেন্ডেশন করার দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি সুইডেনের মেইনস্ট্রিম রাজনীতির সাথে জড়িত দীর্ঘদিন যাবৎ। সুইডিশ পার্লামেন্টে সাপ্লিমেন্টারি মেম্বার ও কাউন্সিলর হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন। 
সুইডেনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে দীর্ঘদিন থেকে জড়িত। ১৯৮১ সালে প্রথম প্রকাশিত বাংলা সাহিত্য ম্যাগাজিন ‘অন্বেষা’র সম্পাদক। এছাড়াও সাপ্তাহিক গনবার্তা নাম প্রকাশিত ট্যাবলেট পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমানে সুইডেনের দ্বিতীয় বৃহত্তর রাজনৈতিক দল ‘মডারেট’র হয়ে সুইডিশ জুডিশিয়াল এডমিন্সট্রেটিভ আদালতের জুরি হিসাবে কাজ করছেন ।


@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

শেয়ার করুন

2 thoughts on "মিশন আফগানিস্তান"

  1. Esrar Choudhury says:

    অনবদ্য ও সুপাঠ্য রচনার জন্য লেখককে এবং সর্বোপরি পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে অজস্র ধন্যবাদ ।
    এ জাতীয় আরো অধিক লেখনীর অপেক্ষায় রইলাম ।

  2. Harun chowdhury says:

    মতামতের জন্য ধন্যবাদ ! লেখাটি ভালো লেগেছে জেনে উৎসাহিত হলাম ! আসলে ধন্যবাদ দিতে হয় দেশ পত্রিকার সম্পাদকে!
    উনার সৌজন্নেই লেখাটি মুদ্রণের সুযোগ পেলো !

    হারুন চৌধুরী /স্টকহলম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪৫৭,৩৬৪
সুস্থ
৩৭১,৭১৫
মৃত্যু
৬,৫১৬
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬০,৯৬৪,৮৬৪
সুস্থ
৩৯,০৬২,৩৫৩
মৃত্যু
১,৪৩১,৯৫৫

নামাজের সময়সূচীঃ

    Dhaka, Bangladesh
    শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৫:০২
    সূর্যোদয়ভোর ৬:২২
    যোহরদুপুর ১১:৪৬
    আছরবিকাল ২:৫০
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:১১
    এশা রাত ৬:৩০

স্বত্ব @২০২০ দেশ

সাইট ডিজাইনঃ টিম দেশ