ঢাকাবুধবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন মিতু হত্যা মামলার ভোলা

তৌহিদুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ৯:১৮ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় আসামি এহতেশামুল হক ভোলা প্রকাশ ভোলাইয়া হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জামিন পেয়েছেন। জামিনের মেয়াদ শেষে তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আজ বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চে ভোলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হাসিবুর রহমান জামিন আবেদন করেন,রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান।

পুলিশ সদর দপ্তরের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার পাশেই চট্টগ্রামের জিইসির মোড় ও আর নিজাম রোডে গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন।উক্ত ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদি হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


২০১৭ সালে নিহত মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন তার মেয়ে হত্যায় স্বামী সাবেক পুলিশের এএসপি বাবুল আক্তার জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেন। আদালত ২০২০ সালের জানুয়ারিতে নগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে থাকা চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্তভার পিবিআই’র ওপর হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন। পিবিআই বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার খুন হওয়া মিতুর পিতার সন্দেহকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে সাবেক এই চৌকস পুলিশ অফিসারকে ২০২০ সালের ১১মে পিবিআই কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। তদন্তে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের লক্ষে ১২ মে ওই মামলার ৫৭৫ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই।


১২ মে বাবুল আক্তারের শাশুড় খুন হওয়া মিতুর বাবা দুপুরে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বাদি হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার বাকি সাত আসামিরা- মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা, এহতেশামুল হক প্রকাশ হানিফুল হক প্রকাশ ভোলাইয়া, মো. মোতালেব মিয়া ওয়াসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম কালু, মো. সাইদুল ইসলাম সিকদার সাক্কু এবং শাহজাহান মিয়া।

উক্ত মামলায় বাবুল আক্তার আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে জবানবন্দি দেননি। গত বছর ২০২০ সালের আগস্টে সাবেক পুলিশের এএসপি বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয় পুলিশ সদর দপ্তর।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া