ঢাকারবিবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

সুন্দরবন এলাকার ৫ কি:মি নির্ধারণের দাবি

আসাদুজ্জামান মিলন, বিশেষ প্রতিনিধি বাগেরহাট
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ


সুন্দরবন থেকে ১০ কিলো মিটারের মধ্য স’মিল (করাত কল) বন্ধের সরকারি বিধি নিষেধ পূনঃ বিবেচনা করে তা ৫ কিলোমিটার নির্ধারনের দাবি উঠেছে। এ আইন সংশোধন করে গত ১ মাস ধরে বন্ধ থাকা শরণখোলার করাত কল গুলো খুলে দেয়ার দাবিতে আজ রবিবার সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলায় মানব বন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।



শরণখোলা প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত মানব বন্ধনে কয়েক’শত করাত কল শ্রমিক ও মালিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্ধ অংশ নেয়। মানব বন্ধনে শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, বাগেরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম খোকন, জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবুল তালুকাদার, করাত কল মালিক- শ্রমিক কল্যান কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন নান্টু ও সাধারণ সম্পাদক মিজান হাওলাদার বক্তৃতা করেন।


তারা বলেন, বন বিভাগ ঘোষিত ১০ কি:মি: আইন কার্যকর হলে সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা উপজেলায় কোন করাত কল স্থাপন সম্ভব নয়। শরণখোলার ১ ইঞ্চি জমিও সুন্দরবন থেকে ১০ কি:মি: বাইরে নয়। অথচ প্রাকৃতিক দুর্যোগ কবলিত উপজেলা হিসাবে এখানকার অধিকাংশ মানুষের কাচা ঘর বাড়ী, মৎস্যজীবীদের ট্রলার ও বাওয়ালী এবং মৌয়ালীদের নৌকা সংস্কারের জন্য কাঠ চেরাইয়ের জন্য করাত কলের উপর নির্ভর করতে হয়। এছাড়া গত ২০ বছর ধরে এই উপজেলায় অর্ধশতাধিক করাত কলে শ্রমিক পরিবারের ৫ হাজার মানুষের জীবন জীবিকা চলে আসছে।


সুন্দরবন থেকে ১০ কি:মি: এর মধ্য করাত কল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তে এ উপজেলার ৫০ টি করাত কল গত ১ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ চরমে পৌছেছে। করাত কলের উপর নির্ভর শ্রমিক পরিবার গুলো অর্ধাহার ও অনাহারে দিন কাটাচ্ছে দাবি করে তারা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


প্রসংগত, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটার সংবেদনশীল এলাকা চিহ্নিত করে করাতকলসহ সব ধরণের মিল-কলকারখানা স্থাপন বন আইনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু গত ১৭ আগস্ট হঠাৎ করে সুন্দরবন বিভাগ এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এলাকায় মাইকিং করে সমস্ত করাতকল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। সেই থেকে শরণখোলা উপজেলার প্রায় অর্ধশত করাতকল বন্ধ রয়েছে।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া