ঢাকাবুধবার , ২৫ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

সাড়ে ৩ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি এক্সেললোড কট্রোল সিসটেম

মফস্বল সম্পাদক
আগস্ট ২৫, ২০২১ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ


চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সুরক্ষায় শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজার সাথে এক্সেললোড কন্ট্রোল সিসটেম স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় সড়ক বিভাগ।


সে মতে ২০১৭ সালে দরপত্র আহবান ও নানা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ কোম্পানি ইউডিসি-ভ্যান জেভিকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। সেখানে বলা হয় ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে এক্সেললোড সিসটেম স্থাপন ও পরিচালনার যাবতীয় কার্যাদি সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু এরপর গত সাড়ে ৩ বছর পার হলেও আলোর মুখ দেখেনি সেই এক্সেললোড কট্রোল সিসটেম। শাহ আমানত সেতু ও মহাসড়কের সুরক্ষায় এ উদ্যোগ নেয়া হলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সেল লোড পরিমাপের জন্য দুবছরে দুটি ওয়েব্রিজ স্থাপন করে। কিন্তু সড়ক বিভাগের অনুমতি না পাওয়ায় অপারেশন শুরু করা যায় নি বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্তকর্তারা। ফলে ভারী যানবাহনের চাপে শাহ আমানত সেতু ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উচ্চ ঝুঁকিতে রয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের শেষের দিকে টোল প্লাজার সাথে এ সিসটেম স্থাপনের জন্য টেন্ডারে মোট ১৩ টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ কোম্পানি ইউডিসি-ভ্যান জেভিকে টোল আদায় ও একই সাথে ওয়েব্রিজ স্থাপন এবং পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। কার্যাদেশ পাওয়া প্রতিষ্ঠান ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অপারেশন শুরু করে। পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে এক্সেললোড কট্রোল সিসটেম স্থাপন ও পরিচালনার শর্ত থাকলেও তারা ওয়েব্রিজ স্থাপনে সময় পার করেছেন দু বছর।

২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয় শাহ আমানত সেতু। বাংলাদেশ ও কুয়েত সরকারের যৌথ অর্থায়নে ৯৫০ মিটার দৈর্ঘ্য, ৪০ দশমিক ২৪ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ করে চীনের মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন। বাংলাদেশের প্রথম এক্সেটার ডোজ সেতু এটি। সেতু উদ্বোধনের পরে টোল আদায়ে কম্পিটারাইজড পদ্ধতির বুথ স্থাপন করে মালয়েশিয়ান বিশেষজ্ঞ দল। কিন্তু চট্টগ্রাম- কক্সবাজার মহাড়কের সুরক্ষায় এক্সেল লোড কন্ট্রোল বা ওজন পরিমাপক যন্ত্র স্থাপন না করায় ঝুঁকির মুখে পড়ছে ৩৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শাহ আমানত সেতু এবং মেরামতের অল্পদিনের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক।

এ কারণে সড়ক বিভাগ কন্ট্রোল সিসটেম স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। শুরুতে ওই যন্ত্রস্থাপনের স্থান সেতুর নগরী প্রান্তে নাকি দক্ষিণ প্রান্তে বসানো হবে তা নিয়ে শুরুতে জটিলতা দেখা দেয়। পরবর্তীতে শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজার উভয় পাশে এ যন্ত্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ লক্ষে মন্ত্রণালয়ের ডাকা দরপত্রে ও কার্যাদেশ দেয়া হয়।

ইজারাদার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ কোম্পানি ইউডিসি-ভ্যান জেভি এর ডাইরেক্টর (অপারেশন) অপূর্ব সাহা জানায়, এক্সেললোড সিসটেম স্থাপন করা হলেও তা চালু করা সম্ভব হয় ন্ ি   সড়ক বিভাগের কারণে। সড়ক বিভাগ হয়ত শিল্প কারখানার মালিকদের আপত্তির কারণে সেটি চালু করেনি। এরই মাঝে আমাদের কার্যাদেশের মেয়ারদও শেষ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, ওয়েব্রিজ স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু চালু করা সম্ভব হয় নি নানা জটিলতায়। টোল প্লাজার সাথেই আলাদা লাইন করে দুই পাশে ওয়েব্রিজ স্থাপন করা হলেও অপারেশন শুরুর পর যানজটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই আমরা নতুন করে পরিকল্পনা করছি ওয়েব্রিজগুলো অক্ষত রেখে কিভাবে যানজট মুক্ত রেখে সেগুলো অপারেশন করা যায়। এরই মাঝে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের কার্যাদেশের সাথে ওয়েব্রিজ অপারেশনের বিষয়টি সংযুক্ত আছে।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া