1. ayanabirbd@gmail.com : deshadmin :
  2. hr.dailydeshh@gmail.com : Daily Desh : Daily Desh
  3. Khulnabureaudesh@gmail.com : Khulna bureau : Khulna bureau
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান মৃত্যুর ঘটনাঃ ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত নোয়াখালী’র সুবর্ণচরে কৃষক হত্যার ঘটনায় মামলা, আটক-৩ করোনা উপসর্গ নিয়ে কন্ঠশিল্পী রিটনের মৃত্যু ভাসছে চাঁদপুর শহর বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি; ২০ জেলে উদ্ধার উপজেলা চেয়ারম্যান শিশিরকে স্বপদে বহালের দাবীতে কচুয়ায় মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করোনার মধ্যে অফিস খুলে দিয়ে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছেঃ রিজভী বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তিনজনকে সোনারগাঁয়ে সংবর্ধনা কোস্টগার্ডের অভিযানে টেকনাফ নাফনদীর জইল্যাদিয়া দ্বীপ হতে ৮০ হাজারইয়াবা উদ্ধার মাটিরাঙ্গায় পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

সাবরিনার শরীর, আমাদের নারীবাদ ও ডাইভার্শন ক্রিয়েটরগণ

কাকন রেজা
  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০

সাহেদ, সাবরিনা নিয়ে আলাপ চলছে বাংলাদেশের মাধ্যমে। সামাজিক তো বটেই গণমাধ্যমও তোলপাড় হচ্ছে এ দুজনকে নিয়ে। বাংলাদেশের করোনা দুর্যোগকালে এ দুজনেই করোনার ভূয়া পরীক্ষা ও রিপোর্টের বিষয় নিয়ে সামাজিক ও গণমাধ্যমের আলোচনায় এহেন ঠাঁই পেয়েছেন। তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে পোস্টমর্টেম চলছে সব মাধ্যম জুড়ে। এ আলোচনার ধাক্কায় করোনায় মৃত্যু আর আক্রান্তদের খবর ঢাকা পড়ে গেছে।


অথচ দেখুন, সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরী গ্রেপ্তার হন আগে। সাথে তার প্রতিষ্ঠান জেকেজির কয়েকজনও। তবে সেই গ্রেপ্তার ততটা ঝড় তুলতে ব্যর্থ হয়েছে সামাজিক বা গণ কোনো মাধ্যমেই। এর আগে গত ৫ জুন সাভারে সাইদ মিয়া নামে আরেক প্রতারক গ্রেপ্তার হন একই কারণে। তিনি করোনা নেগেটিভ বলে ভূয়া প্রত্যয়নপত্র বিক্রি করতেন। তার নামও সহজে মনে করতে পারবে না মানুষ। পারতে হলে গুগল ঘাটতে হবে। একদিন খবর করেই সে দায়িত্ব শেষ করেছে গণমাধ্যমগুলো। সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে তেমন কোনো কথাই হয়নি।

ডা. সাবরিনা ধরা পড়লেন সোমবার। সেদিনই রাজধানীর ডেমরায় এসএইচএস নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় র‌্যাব। এই প্রতিষ্ঠানটিও ভূয়া করোনা পরীক্ষা ও রিপোর্ট প্রদান করতো। এর মালিক সাখাওয়াত হোসেন সুমনকে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক তাৎক্ষণিক দুই বছরের কারাদন্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। তার মালিকানাধীন এসএইচএস হেলথ কেয়ার হাসপাতাল ও ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করে দেয়া হয়। এই খবরটিও কিন্তু কোনো আলোড়ন তুলতে পারেনি মিডিয়ায়। সুমনের কানেকশানও কম নয়। তবে তিনি মিডিয়ায় হিট হতে পারেননি।

এই হিট না হবার কারণ কী, তা অনুধাবন করতে গেলে অনেক গভীরে যেতে হবে। এর আগের এক লেখায় এসব নিয়ে কিছুটা আলাপ করেছি। তাই এবার আর পুনরাবৃত্তি করতে চাচ্ছি না। আপাতত চাচ্ছি ডা. সাবরিনার গ্রেপ্তার এবং তার ছবি নিয়ে মাধ্যমগুলোর মচ্ছব বিষয়ে কথা বলতে। দেখুন একই দিন ডা. সাবরিনা গ্রেপ্তার হলেন তার বিচার কিন্তু সেদিনই শেষ হয়ে যায়নি। অর্থাৎ কোনো আদালত তাকে তাৎক্ষণিক দোষী সাব্যস্ত করেননি। বিপরীতে এসএইচএস নামক প্রতিষ্ঠানটির মালিক সুমন সেদিনই র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা পেয়েছেন। একটি আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। সে অনুযায়ী সে দোষী। আশ্চর্যের বিষয় হলো প্রমানিত দোষী হওয়া সত্ত্বেও সুমনের তেমন কোনো ছবি বা খবর নেই সামাজিক ও গণমাধ্যমে। কোনো পোস্টমর্টেম নেই। উল্টো দিকে ডা. সাবরিনার রয়েছে, যে এখনো দোষী প্রমাণিত হয়নি! প্রমাণিত দোষীর নেই, অভিযুক্তের রয়েছে- এই পার্থক্য নিয়েই আলাপটা তোলা। আর এই আলাপের সাথেই রয়েছে লেখার শিরোনামে উল্লেখিত নারীবাদ বিষয়টির সম্পর্ক।

ডা. সাবরিনা আলোচিত হলেন মূলত তার ছবির জন্য। ডা. সাবরিনার প্রতারণার চেয়ে সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করা তার বিভিন্ন ছবি ও শরীর আলোচনায় এসেছে বেশি। একজনকে দেখলাম ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সাক্ষাতকার নিচ্ছেন সাবরিনার। সেই সাক্ষাতকারে চিকিৎসকের চেয়ে সাবরিনাকে নায়িকা প্রমাণের চেষ্টাই বেশি। অন্য বিষয়ের চেয়ে ছবি ও শরীর নিয়েই আলাপে আগ্রহ বেশি। এটাও নাকি সাংবাদিকতা! যে সাংবাদিকতায় ডা. সাবরিনার কুকর্মের চেয়ে তার উষ্ণ ছবি ও শরীরই বিষয় হয়ে উঠে! বিচিত্র, বড়ই বিচিত্র এই সাংবাদিকতা। এমন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে উল্টো প্রশ্ন করা উচিত, হাজারও কোটি টাকা লোপাট করে যারা স্বাস্থ্য বিভাগকে পঙ্গু করে দিলেন, তাদের অপরাধের চেয়ে সাবরিনার উষ্ণ ছবির অপরাধ বেশি কিনা।

আমাদের অনেকেই কথায় কথায় বলেন, একজন পতিতাকেও অসম্মান করা অন্যায়। একজন পতিতারও তার শরীর বাঁচাবার অধিকার রয়েছে। তবে কি ডা. সাবরিনার তা নেই! ছবি ও শরীর নিয়ে তাকে অসম্মানের চেষ্টা কি অন্যায় নয়? আমাদের বিপ্লবী নারীবাদ ও বাদী’রা এখানে চুপ। ডা. সাবরিনা যে প্রতিষ্ঠানটির সাথে জড়িত, সেই জেকেজি অসংখ্য মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। তাদের চিকিৎসা ভুল হয়েছে বা হয়নি। যাদের কেউ হয়তো এই ভুল সনদের কারণে মারাও যেতে পারেন। সারা বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ধুলায় লুটিয়ে গেছে। আমাদের বিমান নিষিদ্ধ হচ্ছে দেশে দেশে। এটা চরম অন্যায়, এর শাস্তি হওয়া উচিত। যেমন হয়েছে সাখাওয়াত সুমনের। এ নিয়ে কোন দ্বিমত নেই, সুস্থ মানুষের অন্তত থাকার কথা নয়। একই সাথে সুস্থ এবং বিবেচনা বোধ যাদের রয়েছে এমন মানুষের ডা. সাবরিনার ছবি ও শরীর নিয়ে যে অসভ্যতা হচ্ছে তারও প্রতিবাদ করা উচিত। আর এই প্রতিবাদের জায়গাতেই ব্যর্থ আমাদের সুবিধাবাদের নারীবাদীরা।

ফেমিনিজমের নানান তত্ত্ব আওরান যারা সকাল-বিকেল। সামাজিকমাধ্যমে নছিহত করেন সর্ব-সময় নারী বিষয়ে। একজন আইনজীবী আছেন, তিনি তো উচ্চকন্ঠ নারী বিষয়ে, তাকেও দেখলাম না কোন কথা বলতে সাবরিনাকে নিয়ে চরম অসভ্যতায়। আরো অনেক ফেমিনিস্ট রয়েছেন যারা নারী দিবসের মানববন্ধনে সেলফি চর্চাতে বেশি ব্যস্ত থাকেন। সেলফিবাজিতে নারী অধিকারের বিষয়টিই চাপা পড়ে যায়। সেইসব সেলফি সিকার নারীদেরও অন্তত একজনকেও দেখলাম না নারীর শরীর নিয়ে অসভ্যতার বিরুদ্ধে কিছু একটা বলতে। এখানে আমার বলা ‘সেলফি চর্চা’ বিষয়েও কথা উঠতে পারে। উঠার আগেই সেরে নিই। ‘সেলফি চর্চা’ বোঝাতে মূলত কাজের থেকে অপ্রয়োজনীয় কাজকে গুরুত্ব দেয়া বোঝানো হয়েছে। ‘কাজ থেকে অকাজ নিয়েই তাদের পড়ে থাকা, এটা তো জানা। এ নিয়ে আবার কথা কেনো।’ এমনটাও বলতে পারেন কেউ। না, কথা হতো না, যদি তারা সময়ে নিরব আর অসময়ে সরব না হতেন।

একজন নারী কি পোশাক পরবেন, কোন ছবি তুলবেন তা নিতান্তই তার নিজস্ব ব্যাপার। এটা তার ব্যক্তি স্বাধীনতার আওতাধীন। তার ছবি এবং পোশাক একান্তই তার। তার ছবির এমন প্রদর্শনও একধরণের নির্যাতন। আর তা নারী নির্যাতনের মধ্যেই পড়ে। বেশ্যারও যদি অধিকার থাকে তবে ডা. সাবরিনার থাকবে না কেনো, এই প্রশ্নটা রাখা এখন জরুরি। সাথে এই ধারা ঠেকানোটাও জরুরি। অথচ ঠেকানোর ‘ফ্রন্ট লাইনার’রা এ বিষয়ে ‘স্পিকটি নট’। তাদের কোনো নড়ন-চড়ন নেই। ‘সুবিধাবাদের নারীবাদ’ বলি আমি এজন্যেই। সময়ে সরব হতে তারা অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ।

এই কথিত নারীবাদীরা মূলত ডাইভার্শন ক্রিয়েটর। তারা সিলেক্টেড কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করেন। আর তাদের এই বিষয়গুলো সিলেক্ট করে দেয়া হয়। সিলেকশনের বাইরে যাবার কোনো উপায় বা ইচ্ছে তাদের নেই। আজকে তাদের বিরোধীপক্ষের কেউ নারী বিষয়ে একটা কথা বলুক, প্রেস ক্লাবের সমুখে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে ‘সেলফি চর্চা’ সহযোগে মানববন্ধন করে ফেলবেন তারা। ধর্ণা দেবেন নানা জায়গায়। তাদের সহযোগি মাধ্যমগুলো এ নিয়ে তুলকালাম বাধিয়ে দেবে। অথচ সেই মাধ্যমগুলোই এখন সাবরিনার ছবিগুলো প্রকাশ করছে নির্দ্বিধায়। নির্লজ্জ ইঙ্গিতে প্রশ্ন করা হচ্ছে, সে তার শরীর দিয়ে কাজ বাগিয়েছেন কিনা। বড়ই বিচিত্র এদের নারীবাদী চিন্তা। এরাই আবার বড় গলায় নারী অধিকারের পক্ষে কথা বলেন। নারী দিবসে এদের চিল্লাচিল্লিতে টেকা দায়।

আমাদের সুবিধাবাদের নারীবাদীরা প্রকৃত নারীবাদের মূল চিন্তা নিয়েই মাথা ঘামান না। নারীবাদ নয়, তাদের মিশন ও ভিশন হলো আলাদা। ডাইভার্শন ক্রিয়েটর সে কারণেই বলা। ডাইভার্শনের ব্যাপারটা এখন একটু বলে নিই। এই যে দেখেন, সাবরিনার কৃতকর্মের চেয়ে এখন সাবরিনার ছবি মানে শরীরই মানুষের কাছে বেশি দৃশ্যমান। অর্থাৎ সাবরিনার কৃতকর্মটা ক্রমেই দৃশ্যহীন করে ফেলা হচ্ছে। সাংবাদিকতার নামে রগরগে কাহিনি বের করার প্রচেষ্টা হচ্ছে সামাজিকমাধ্যমের লাইভে। প্রকাশ্যে নির্লজ্জ ইঙ্গিতে প্রশ্ন করা হচ্ছে, শরীর দিয়ে তিনি কাজ বাগিয়েছেন কিনা! এমন অশ্লীল ইঙ্গিত সাংবাদিকতার ইথিকসের সম্পূর্ণ বাইরে। অথচ করা হচ্ছে। কারণ ডাইভার্শন ক্রিয়েট করতে হবে। তবে কি তারা পেইড? এই ধারার মরিয়া চেষ্টায় প্রশ্নটা এসে যায়।

সাথে আরেকটা প্রশ্ন এসে যায়, সাবরিনা আর সাহেদরাই কী সমস্ত অপকাণ্ডের হোতা? নিশ্চিত নয়। তারা এই অপ-কর্মযজ্ঞের সামান্য অনুষঙ্গ মাত্র। তারা শুধু মুফতে কিছু টাকা কামাতে চেয়েছেন। এরচেয়ে বেশি কিছু নয়। আর তারা যা কামিয়েছেন তার থেকে বহুগুণ গিয়েছে অন্য জায়গায়। হয়তো সে জায়গা থেকে দৃষ্টি সরাতেই বলির পাঠা হচ্ছে সাহেদ-সাবরিনাগণ। আলোচিত হচ্ছে সাবরিনার শরীর। প্রসঙ্গক্রমে বলে নিই, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরর ডিজির কাছেও কিন্তু কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী তিনিও এ খেলার একজন মধ্যমমাপের গুটি। গুটি রক্ষায় ডাইভার্শন ক্রিয়েটরা স্বভাবতই সক্রিয় হবেন, এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। এসব ডাইভার্শন ক্রিয়েটরদের যেহেতু নিজস্ব কোনো চরিত্র নেই, তাদের সাথে নৈতিকতার আলাপটিও যায় না। দেখবেন, কদিন পর কারো একটা ছবি প্রকাশ নিয়েই তারা উল্টো গীত গাইতে শুরু করবেন। যেন সেই ছবি মহাভারত অশুদ্ধ করে ফেলবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা।

আচ্ছা এই যে, এতক্ষণ আলোচনা করলাম। বিষয়বস্তু কি ছিলো, সাবরিনার শরীর ও ছবি, সাহেদ আর ডাইভার্শন তৈরি বিষয়, তাইতো। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল আলোচনা হবার কথা ছিলো করোনা পরিস্থিতি নিয়ে। আমাদের টেস্ট কমে যাচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় উনিশ হাজারের মতন টেস্ট হচ্ছিল তা কমে এখন তের হাজারে ঠেকেছে। অথচ টেস্টের আনুপাতিক হার বিবেচনায় সংক্রমণ কমেনি, বেড়েছে। মৃত্যুও ত্রিশের কোঠা থেকে এখন চল্লিশের কোঠায়। চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। জেলা পর্যায়ে কোনো ক্রিটিক্যাল রোগী ম্যানেজ করার কোনো উপায় নেই।

একের পর এক চিকিৎসক আক্রান্ত হচ্ছেন, মারাও যাচ্ছেন অনেকে। মানুষ আইসোলেশনের নামে ঘরে মারা যাচ্ছে। জোন ভিত্তিক লকডাউনের কথা হলেও তার প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে না। সারা বিশ্বে আমাদের ব্যর্থতা নিয়ে চর্চা হচ্ছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ আলাপ ছেড়ে আমাকেও সাবরিনার ছবি, শরীরসহ আনুষাঙ্গিক আলোচনা করতে হলো। সে অর্থে ডাইভার্শন ক্রিয়েটররা নিশ্চিত সফল। তাদের কাজই তো ছিলো আলোচনাকে মূল ট্র্যাক থেকে বের করে আনা। মানববন্ধনের চেয়ে যেমন সেলফি চর্চা জরুরি হয়ে দাঁড়ায় ঠিক তেমনি।

অকাজের আলোচনাকে প্রমোট করতে ডাইভার্শন ক্রিয়েটররা অসম্ভব রকম সফল। তাদের অবদান অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। সাথে উপায় নেই, আমাদের ব্যর্থতাকে অস্বীকার করার। আমাদের নিজ স্বার্থ নিয়ে, বেঁচে থাকার ন্যূনতম মৌলিক অধিকার বিষয়ে কথা বলার সে ব্যর্থতাকে।

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

নামাজের সময়সূচীঃ

    Dhaka, Bangladesh
    শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:১০
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৩১
    যোহরদুপুর ১২:০৪
    আছরবিকাল ৩:২৯
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৩৭
    এশা রাত ৭:৫৮

@ স্বত্ত দৈনিক দেশ, ২০১৯-২০২০

সাইট ডিজাইনঃ টিম দেশ