ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১ জুলাই ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবোল-তাবোল
  5. উদ্যোক্তা
  6. উপসম্পাদকীয়
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কলাম
  9. ক্যারিয়ার
  10. খেলার মাঠ
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ পরিবার
  15. দেশ ভাবনা
১৫ দিন থেকে সাপ্লাই নেই

শার্শা ও বেনাপোলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট

শেখ নাছির উদ্দিন, বেনাপোল প্রতিনিধি
জুলাই ১, ২০২১ ৫:২৯ অপরাহ্ণ


যশোরের বেনাপোল ও শার্শা উপজেলার বিভিন্ন বাজার থেকে হঠাৎ করেই নাপা, নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেন্ড ট্যাবলেট, নাপা সিরাপ ও এইচএক্সআর ট্যাবলেট উধাও হয়ে গেছে। ক্রেতারা কোথাও এই ট্যাবলেট পাচ্ছেন না। দোকানিরা বলছেন, কোম্পানি তাদের সাপ্লাই দিচ্ছে না। বেনাপোল ছাড়াও উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে যতগুলো বাজার আছে সব বাজারের কোন ফার্মেসিতে এই ওষুধগুলি পাওয়া যাচ্ছে না।


 

 

উপজেলার লক্ষনপুর গ্রামের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আতাউর রহমান জানান, তার ছেলের হঠাৎ করে জ্বর এসেছে। তিনি নাপা বা নাপা এক্সট্রা ট্যাবলেট কেনার জন্য লক্ষনপুর বাজারের কয়েকটি ফার্মেসি ঘুরেছেন কিন্তু কোথাও নাপা, নাপা এক্সটা, এক্সটেন্ড বা এইচএক্সআর ট্যাবলেট পাননি। পরে একটি ফার্মেসির দোকানির পরামর্শে অন্য কোম্পানির ওষুধ কিনতে বাধ্য হয়েছেন। বেনাপোল বড় আচড়া গ্রামের মুদি দোকানি রাশেদ হোসেন জানান, আমার স্ত্রীর জন্য নাপা বা নাপা এক্সট্রা কিনতে কয়েকটি ফার্মেসি ঘুরেছি। কিন্তু কোথাও পায়নি। বেনাপোল পৌরসভার বন্দর কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক ফরহাদ হোসাইন জানান, কয়েকদিন থেকে আমার শরীরে জ্বর সেই সাথে শরীরে ব্যাথাও ছিলো। আমি বাজারের কোনো দোকানে নাপা বা নাপা এক্সট্রা পাইনি। পরে ফার্মেসী দোকানির পরামর্শে অন্য ওষুধ কিনে খেয়েছি। এখন জ্বর কমেছে।

 

শার্শার নাভারন বাজারের নাভারন ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই মৌসুমে ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর হওয়ায় প্রতি বছরই এ সকল ট্যাবলেট গুলোর চাহিদা বেশি থাকে। এবছর করোনার কারণে চাহিদা আরো বেড়েছে। কিন্তু কোম্পানি নাপা, নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেনড, নাপা সিরাপ সাপ্লাই দিচ্ছে না। কোম্পানির প্রতিনিধিরা বলছেন, কোম্পানি থেকে সাপ্লাই বন্ধ আছে। আর এইচএক্সআর ট্যাবলেটও খুব সীমিত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। একারণে এটিরও সংকট রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এই ওষুধগুলো পরিচিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ এগুলোই বেশি খুঁজে থাকেন। একারণেই সংকট। প্রায় ১৫ দিন ধরে এই ওষুধগুলোর সাপ্লাই নেই।’ একই কথা বলছেন বাজারের অধিকাংশ ফার্মেসি ব্যবসায়ী।

 

 

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইউছুফ আলী জানান, আমিও ব্যাপারটা শুনেছি এলাকার কোন ফার্মেসিতে নাপার কোন ঔষধ বাজারে নেই। কিন্তু হঠাৎ এই সংকট কেন এটা আমার জানা নেই। তবে এই ঔষধ অন্য কোম্পানির হলে ও একই কাজ হবে।

সর্বশেষ - জাতীয়