ঢাকাসোমবার , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

লাভজনক হওয়ায় মাল্টাচাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

রুবেল আহমেদ, আখাউড়া প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বানিজ্যিক ভাবে শুরু হয়েছে মাল্টার চাষ।অন্যান্য কৃষি ফসলের পাশাপাশি সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও রসালো ফল মাল্টা চাষে ঝুঁকেছেন এখানকার চাষিরা।


 

তবে অন্যান্য ফল ও ফসলের দাম কমে যাওয়ায় এবং খরচ বেড়ে যাওয়ায় মাল্টার চাষের দিকে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আজমপুর, চানপুর ও মনিয়ন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ মিনারকোট এবং উত্তর নোয়ামুড়াসহ আরো বেশকয়েকটি মাল্টার বাগান রয়েছে এতে মাল্টার চাষ করা হচ্ছে।উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের উত্তর নোয়ামুড়ার অ্যাডভোকেট ইউনুস ও দক্ষিণ মিনারকোট গ্রামের সাইফুল ইসলাম ছোটন এর মাল্টা বাগানে গিয়ে দেখা যায় সারি সারি গাছে প্রচুর পরিমান মাল্টা ধরেছে। তারা বলছেন, স্থানীয় ভাবে উৎপাদন করা যেকোনো ফলের প্রতি ক্রেতাদেরও আগ্রহ থাকে এবং দামও ভালো পাওয়া যায়।এ কারণে কৃষকদের মাল্টা চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন। আখাউড়ার মাটি ফল চাষের জন্য দারুন উপযোগী, শিক্ষিত যুবকরা বেকার না থেকে ফল চাষে আগ্রহী হলে দুর হবে বেকারত্ব, লাভবান হবে দেশ। মাল্টাসহ অন্যান্য ফল চাষে আরো বেশী উদ্ভোদ্ধ হবে এখানকার মানুষ এমনটায় প্রত্যাশা সকলের।


মাল্টাচাষি সাইফুল ইসলাম ছোটন বলেন, যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০১৭ সালে প্রায় এক একর জমিতে কৃষি অফিস থেকে প্রদর্শনী নিয়ে ও নিজে কিছু বারি মাল্টা-১ জাতের চারা দিয়ে মাল্টা চাষ শুরু করেছি। আমার বাগানে এখন প্রায় ২০০টি মাল্টার গাছ আছে। প্রথম দফায় ফলন কম হওয়ায় ২০২০ সালের অক্টোবরে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রি করেছি, এবছর প্রায় লক্ষাদিক টাকার মাল্টা বিক্রির আশাকরছি। মাল্টা চাষে তেমন খরচ বা শ্রম দিতে হয় না

২০১৭ সাল থেকে আখাউড়ায় মাল্টা চাষ শুরু হয়েছে, তবে প্রথম বছর ফলন ভাল না হলেও এবছর গাছে প্রচুর ফল ধরেছে। আখাউড়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহানা বেগম বলেন, ‘মাল্টা একটি পুষ্টিকর ফল, উপজেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে মাল্টা ও মাল্টা জাতীয় ফলের বাগান রয়েছে।এখানকার মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের উপযোগী হওয়ায় দিনদিন মাল্টা বাগান করার প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। বারি-১ লাভজনক ও সুস্বাদু ফল হওয়ায় এর চাহিদাও বেশি। আমাদের পক্ষ থেকে মাল্টা চাষিদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে। আগামীতে এর আবাদ আরও বাড়ানো হবে।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত