ঢাকাবুধবার , ১ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

রাজনগরে জলাবদ্ধতায় ৫ শত একর ফসলি জমি

নুরুল ইসলাম শেফুল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ১, ২০২১ ৫:৫৬ অপরাহ্ণ


টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের রাজনগরের লাঘাটা নদীর পানি উপচে উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের করাইয়া হাওরসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের ৫ শত একর ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করেছে। এতে ফসল হারানোর ভয়ে আছেন এসব এলাকার কৃষকরা। ক্রমাগত উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও পানি বাড়ার কারণে তাদের শঙ্কা আরো বাড়ছে। হাওর রক্ষা বাঁধ না থাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবী করছেন কৃষকরা।



পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মনুনদী ও ধলাই নদীর পানি বাড়তে থাকে। এই দুইটি নদীর পানি লাঘাটা নদী হয়ে হাওর রক্ষা বাঁধ না থাকায় বিভিন্ন স্থান দিয়ে করাইয়া হাওরে প্রবেশ করে। এতে ওই ইউনিয়নের করাইয়া, হাটি করাইয়া, দক্ষিন করাইয়া, শ্যামেরকোনা, নোয়াগাঁও, জাঙ্গালী, গোবিন্দপুর, খাস প্রেমনগর, তেঘরি, ইসলামপুর, জালালপুর সহ প্রায় ১৫টি গ্রামের ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করে। উপচে পড়া পানিতে কড়াইয়ার হাওরের ৫ শত একর রোপা আমন ধান তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় স্থানীয় কৃষকরা ফসল হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। ২-৩ দিনের মধ্যে পানি না কমলে ধানে পচন ধরে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ওই এলাকার দরিদ্র কৃষকরা।

ইসলামপুর গ্রামের কৃষক আতাউর রহমান সোহেল বলেন, এ বছর প্রায় ২২ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি। কিন্তু মনু ও ধলাই নদীর পানি লাঘাটা নদী দিয়ে আসায় জমির ধান তলিয়ে গেছে। ওই নদীতে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা গেলে কৃষকরা ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারতো। করাইয়া গ্রামের কৃষক খোরশেদ আলম জানান, তার ৩০-৩৫ বিঘা জমির ধানগাছ পানির নিচে রয়েছে। দ্রুত পানি না নামলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। পানি ঘোলা হওয়ায় দুশ্চিন্তা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।


এ ব্যাপারে কামারচাক ইউপি চেয়ারম্যান নজমুল হক সেলিম বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে করাইয়ার হাওরে পানি বেড়েছে। আশা করছি পানি দ্রুত নেমে গেলে আমার এলাকার কৃষকরা বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।


রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ ইফ্ফাত আরা ইসলাম বলেন, করাইয়ার হাওরের কিছু জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে তেমন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া