ঢাকাবুধবার , ১৪ জুলাই ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবোল-তাবোল
  5. উদ্যোক্তা
  6. উপসম্পাদকীয়
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কলাম
  9. ক্যারিয়ার
  10. খেলার মাঠ
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ পরিবার
  15. দেশ ভাবনা
জবি শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি

মামলার আসামি ধরা পড়েনি ১৭ দিনেও

মফস্বল সম্পাদক
জুলাই ১৪, ২০২১ ১২:৪৯ অপরাহ্ণ


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় রাজধানী সূত্রাপুর থানায় মামলা দায়েরের পর ১৭ দিন হলেও এখনো ধরা পড়েনি আসামি। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার দাবি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে না পারায় গ্রেপ্তারে বিলম্ব হচ্ছে।


জানা যায়, গত ২৭শে জুন পুরান ঢাকার কলতাবাজার এলাকায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় বাজার নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। এসময় কবি নজরুল কলেজের পাশে উইনস্টন গলিতে প্রবেশ করলে নির্জন রাস্তার সুযোগে তাকে আক্রমণ করে এক যুবক। এসময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চিৎকারে ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের দিকে দৌঁড়ে পালায় ওই যুবক। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী প্রথমে সূত্রাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি ও পরে মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মামলা দায়েরের পর ১৭দিন হলেন আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় এটি নিয়ে ক্ষোভ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় অতি দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।


তবে পুলিশের দাবি মামলার পর ঘটনাস্থল ও আশেপাশের এলাকা থেকে সন্দেহভাজন অনেককে আটক করা হলেও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কাউকে শনাক্ত করতে না পারায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে সময় লাগছে। তবে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে এখনো প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে ।


এ বিষয়ে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রীকে হয়রানির ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলছে। মামলার পরেই আমরা সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করে ভিক্টিমকে দেখিয়েছি। কিন্তু সে কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি৷ ফলে একটু বিলম্ব হচ্ছে। তবে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। বিভিন্নভাবে আমরা এখনো চেষ্টা চালাচ্ছি’।


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) সুব্রত সিং বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলার পরপরই ভিকটিমের বর্ণনা অনুযায়ী ঘটনাস্থল ও আশেপাশের এলাকা থেকে সন্দেহভাজন ৮ জনকে আটক করা হয়েছিল। এছাড়া সিসিটিভির ফুটেজ দেখেও একজনকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু ভিকটিম কাউকেই পুরোপুরি শনাক্ত করতে পারেনি। এবিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে’৷


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি পুলিশের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। ছাত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। ছাত্রী অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে পারলেই পুলিশ আইনের আওতায় নিয়ে আসবে’।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - জাতীয়