ঢাকাশুক্রবার , ২৭ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

মহাসড়কে ফুটফ্লাইওভার ব‍্যবহারে অনীহায় বাড়ছে দূর্ঘটনা

মোঃ আবু কোরাইশ, দাউদকান্দি প্রতিনিধি
আগস্ট ২৭, ২০২১ ২:৩৭ অপরাহ্ণ


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাউদকান্দি অংশে দাউদকান্দি থেকে ইলিয়ট পর্যন্ত ফুটফ্লাইওভার আছে চারটির মত। এসব উড়ন্ত পথ পারাপার সেতু ব‍্যবহারে পথচারীদের মাঝে আছে চরম উদ‍াস‍ীনতা, নেই সচেতনতা। জীবন ঝুঁকি এড়াতে সরকার মহাসড়কে পথচারী পারাপারে নির্মান করেছে এ সব ফুটফ্লাইওভার। এসব ফ্লাইওভার ব‍্যবহারে পথচারীদের নেই খুব একটা আগ্রহ । মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে মহাব‍্যস্ত-এ মহাসড়ক। অবস্থাদৃষ্টে মনে হবে জীবনের চেয়ে সময়ের মূল‍্যই যেন মূখ‍্য। এক প্রকার অব‍্যবহৃত দেখা যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম এর ব‍্যস্ততম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নির্মিত এ সব ফুটফ্লাইওভার। যার ফলে বাড়ছে দূর্ঘটনার ঝুঁকি। আশংকা তৈরী হচ্ছে প্রানহানির।


সরেজমিনে বিভিন্ন ফুটফ্লাইওভার ঘুরে দেখা যায়,ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাউদকান্দি অংশে ঈদ গাঁ বিশ্বরোড, শহীদনগর,গৌরীপুর মোড় ও ইলিয়ট গঞ্জে মহাসড়কে জনবহুল পথচারী পারাপারে ব‍্যস্ততম জায়গায় ওভারব্রীজ থাকলেও কার্যত তা পথচারী শূন‍্য। ফ্লাইওভারের নীচে আছে পথচারীদের জটলা এবং তাদের অনিরাপদ সড়ক পারাপার। এ সব ফ্লাইওভার এর নীচ দিয়েই জীবনের ঝুকি নিয়ে সড়ক পার হতে দেখা যায় বৃদ্ধ থেকে শুরু করে শিশুদের পর্যন্ত। উড়ন্ত সেতুতে পথ চলায় কেন অনীহা এমন প্রশ্নে নির্বাক পথচারীরা।

প্রশাসনের ফুটফ্লাইওভার ব‍্যবহার করার প্রচারণা ও নানামুখী উদ‍্যোগ বয়ে আনছে না কোনো সুফল। পথচারীদের জীবন সুরক্ষা বিবেচনায় নির্মিত হয়েছে এ সব ফুটফ্লাইওভার। অনেক ক্ষেত্রে জনগণের দাবির প্রেক্ষিতেও সরকার নির্মান করেছে এ সব উড়ন্ত পায়ে চলা সেতু। প্রশাসন থেকে বার-বার উদ‍্যোগ নেওয়া হলেও ফ্লাইওভার ব‍্যবহারে অনীহা দেখলে মনে হয় কার্যত বিফলেই গেল সরকারের এত সব আয়োজন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পথচারী বলেন ফ্লাইওভারের বেশি উচতার কথা,তাঁর কাছে জীবন ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে চাইলে দিতে পারেননি কোন সদুক্তর। অধিক উচ্চতার অজুহাতে ফ্লাইওভার ব‍্যবহারে অনাগ্রহ মুলত নাগরিক অসচেতনার বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে সচেতন মহল।

শুধুমাত্র প্রচারণাই নয়, যাদের দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে নির্মান করা হয়েছে এ সব উড়ন্ত সেতু, তারা সচেতন হলেই স্বার্থক হবে এ সব ফ্লাইওভার নির্মান। এতে করে এড়ানো যাবে যে কোন অনভিপ্রেত দূর্ঘটনা ও মৃত‍্যু ঝুঁকি।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত