ঢাকাবুধবার , ২৮ জুলাই ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

বাবুগঞ্জে খালের উপর সেতুটি মরণ ফাঁদ!

মফস্বল সম্পাদক
জুলাই ২৮, ২০২১ ১০:৪০ অপরাহ্ণ


বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নে একটি সেতু এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এটাকে এখন ৪ পা ওয়ালা মরন ফাঁদ নামে আখ্যায়িত করেছেন। সরেজমিন আজ বুধবার দুপুরে, উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৫ নং ওর্য়াডের লাফাদি ও বাড়ৈই খালি নামক সংযোগ স্থলের খালের ওপর নির্মিত সেতুটিতে কোনো পাটাতন না থাকলেও চার টি খুটির উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।


সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় দুই গ্রামের সাথে যোগাযোগের যানবাহন এক কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালের শেষের দিকে উপজেলার লাফাদি ও বাড়ৈই খালি দুই গ্রামের সংযোগ খোকন নিপতির বাড়ির সামনে খালের ওপর বাঁশের সাকোর স্থানে তৎকালিন ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীল নেতা জয়নাল আবেদীন হাওলাদার এ লোহার সেতু নির্মান করেন। এর কিছুদিন পর সেতুটির পাটাতন ও রেলিং ভেঙে যায়। এতে ২ টি গ্রামের প্রায় ৬ হাজার মানুষ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এটি পারাপার হচ্ছে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতের সাথে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে লোহার ভিম ডুবে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন ওই এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে স্থানীয় জাতীয়পার্টি নেতা ও নবর্নিবাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিগত চেয়ারম্যানের সময়ে সেতুটি নামকাওয়াস্তে নির্মান করা হয়েছিল। আমি বুধবার দুপুরে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি। খুব তারাতাড়ি ওই স্থানে নতুন করে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হবে। ওই এলাকার মোঃ আনিচুর রহমান, শাহজাহান সহ কয়েকজন জানান, এ সেতুর ওপর দিয়ে তাদের উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। সেতুটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনোয়ারুল ইসলাম জানান,এ সেতুটির অবস্থা খুবই বেহাল দশার কথা স্বীকার করেছেন। শিগগিরই ওই খালের ওপর নতুন করে একটি পাকা (আরসিসি) সেতু নির্মাণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হবে । বরাদ্দ পেলেই দ্রুত এর নির্মাণকাজ আরম্ভ করা হবে।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া