ঢাকাশনিবার , ২৮ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য
শরণখোলায় মতবিনিময় সভা

বাংলাদেশ-ভারতের সামুদ্রিক মৎস্য আহরনে নিষেধাজ্ঞা চুক্তি বাস্তবায়নের দাবী


সামুদ্রিক মৎস্য আহরনের ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবী। এ চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের জেলেদের মৎস্য আহরনে নিষেধাজ্ঞা একই সময় কার্যকর করতে হবে। তা না হলে বাংলাদেশী জেলেরা সামুদ্রিক মৎস্য ও ইলিশ আহরনে অপূরনীয় ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। তাই বিষয়টি সরকারকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা ও বাস্তবায়নের দাবী জানানো হয়েছে।



আজ শনিবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে উপকুলীয় উপজেলা শরণখোলা প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় এ দাবী উত্থাপিত হয়। শরণখোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম. এম পারভেজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, শরণখোলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী, আঃ রাজ্জাক তালুকদার, আমিনুল ইসলাম সাগর, আনোয়ার হোসেন, আসাদুজ্জামান স্বপন, সাবেরা ঝর্না, মনিরুজ্জামান জামান ও মাহফুজ বাপ্পি।


মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, একই সময় পাশ্ববর্তী দুটি দেশের সমুদ্র সীমায় পৃথক পৃথক নিষেধাজ্ঞার তারিখ থাকায় জেলেদের মধ্যে কিছু ভ্রান্ত ধারনা তৈরী হয়। বাংলাদেশী জেলেরা ধারনা করছে ২২ মে থেকে ২৫ জুলাই ৬৫ দিন মৎস্য আহরনের নিষেধাজ্ঞা চলা কালীন সময় হয়তো ভারতের জেলেরা অবৈধ অনুপ্রবেশ করে বাংলাদেশ থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। কোন কারনে মৎস্য সংকট দেখা দিলে জেলেদের মধ্যে এ আক্ষেপ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এ প্রেক্ষিতে ২০২০ সালে বাংলাদেশ ভারত সমুদ্র মৎস্য আহরনে নিষেধাজ্ঞা একই সময় নির্ধারনে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। ১ বছর অতিবাহিত হলেও এ চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি। তাই ভ্রাতৃপ্রতিন দ্ইু দেশের বন্ধুত্ব রক্ষায় জেলেদের জন্য একই সময় নিষেধাজ্ঞার চুক্তি দ্রæত বাস্তবায়নের দাবী জানান তারা।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া