ঢাকামঙ্গলবার , ২০ জুলাই ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবোল-তাবোল
  5. উদ্যোক্তা
  6. উপসম্পাদকীয়
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কলাম
  9. ক্যারিয়ার
  10. খেলার মাঠ
  11. গ্যাজেট
  12. জাতীয়
  13. টাকা-আনা-পাই
  14. দেশ পরিবার
  15. দেশ ভাবনা

বাংলাদেশের বন্ধু সায়মন ড্রিং আর নেই

দেশ ডেস্ক
জুলাই ২০, ২০২১ ১১:০৭ অপরাহ্ণ


বাংলাদেশের বন্ধু ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং আর নেই। ৭১ সালে ঝুঁকি নিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর নিধনযজ্ঞের খবর বহির্বিশ্বে পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি।



গত শুক্রবার (১৬ জুলাই) রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। সায়মন ড্রিং স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন। শুক্রবার রুমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় সায়মন ড্রিংয়ের মৃত্যু হয় বলে তার আত্মীয় ক্রিস বার্লাস জানিয়েছেন৷


সায়মন ড্রিং মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আজ মঙ্গলবার (২০ জুলাই) এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে সাংবাদিক সায়মন ড্রিং-এর সাহসী অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর ভয়াবহ গণহত্যার তথ্য ও প্রতিবেদন তিনি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন।


শেখ হাসিনা আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনমত সৃষ্টিতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশে গণমাধ্যমের বিকাশে ও দেশের প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভি’র পরিচালনাতেও তাঁর অবদান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং প্রয়াতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


সাইমন ড্রিং দীর্ঘদিন রয়টার্স, টেলিগ্রাফ ও বিবিসির হয়ে কাজ করেছেন বৈদেশিক সংবাদদাতা, টেলিভিশন উপস্থাপক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বন্ধু হিসেবে ২০১২ সালে সাইমন ড্রিংকে সম্মাননা দেয় সরকার।


বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মার্চের ৬ তারিখে কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় চলে আসেন। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় দুইশ বিদেশি সাংবাদিককে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আটকে ফেলে যাতে গণহত্যার কোনো খবর যাতে সংগ্রহ এবং প্রচার করতে করতে না পারেন। সাংবাদিকদেরকে সেজন্য হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে দিয়ে তাদের ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়৷ তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং৷ তবে পাকিস্তানের সামরিক আইন না মেনে তিনি হোটেলে লুকিয়ে থাকেন। পরে হোটেলের কর্মচারীদের সহযোগিতায় ছোট্ট একটি মোটরভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ ব্যারাক ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা। এরপর লেখেন ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান’ শিরোনামের এক প্রতিবেদন। যা গণহত্যার বিস্তারিত ওঠে আসে।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - জাতীয়