ঢাকাসোমবার , ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

বাংলাদেশের ধ্বংসের ইতিহাস জিয়া পরিবারের সৃষ্টি : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী


বীর চট্টলার প্রতি প্রধানমন্ত্রী সবসময় সহানুভূতিশীল। এ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর তাঁরই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সাংবাদিকদের উন্নয়নে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে স্বাধীনতা বিরোধী দলের প্ররোচনায় ধর্মের নামে রাজনীতি আর হতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের ধ্বংসের ইতিহাস জিয়া পরিবারের সৃষ্টি।



আজ সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডা. মুরাদ হাসান বলেন,স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এমএ হান্নান। সেই ঘোষণার মাইক্রোফোন জিয়ার জাদুঘরে থাকবে না। তা কালুরঘাটে নিয়ে যাওয়া হবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যার যোগ্যতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১২ বছর ক্ষমতায়। আপনারা বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে সহযোগিতা করবেন।


তিনি বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কারো দয়ার দান নয়। স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঈর্ষণীয় কর্মতৎপরতা দেখে জিয়াউর রহমান কিছু কুলাঙ্গারকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে সপরিবারে হত্যা করেছে, এটাই জিয়ার অবদান। এ হত্যার বিচার বাংলার মাটিতে হবে। তার স্মৃতিতে চট্টগ্রামে কীসের জাদুঘর। সার্কিট হাউসে খুনির নামে জাদুঘর কেন থাকবে? জাতির পিতার খুনির নামে রাষ্ট্রের টাকায় জাদুঘর থাকতে পারে না। প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে থাকা এ জাদুঘর সরানোর জন্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকসহ চট্টগ্রামবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।


এসময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান সাংবাদিকদের নানা সমস্যা, সমাধান এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় ধন্যবাদ বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা।


শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কলিম সরওয়ার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, সিইউজে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী।

বঙ্গবন্ধুর সময় দেশে জিডিপি ছিলো ৯. ৪। এ করোনাকালেও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি পৃথিবীতে অনুকরণীয়। কাজ করলে ভুল হবে। ক্ষমার যোগ্য হলে ক্ষমা করবেন আর অযোগ্য হলে বিচার করবেন। আপনারা বীর চট্টলার সন্তান। আপনারা আমাদের চেয়ে ইতিহাস বেশি জানেন।চলমান বৈশ্বিক করোনাকালে সাংবাদিকদের জন্য ১০ কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের কল্যাণে সারা দেশে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াও আপনাদের এ চট্টগ্রামের সন্তান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কর্মদক্ষতায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রেরণ করা হয়েছে। এ অর্জনের মাধ্যমে পৃথিবীর ৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ স্থান করে নিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে দেশের অনেক কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান ড. হাছান মাহমুদ এবং আমাকে। এ মন্ত্রণালয়ের তথা সাংবাদিকদের উন্নয়নে আমরা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।


এ সময় প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি স ম ইব্রাহীম, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, গ্রন্থাগার সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলীউর রহমান, কার্যকরী সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ারসহ প্রেস ক্লাব, সিইউজে, বিএফইউজেসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া