ঢাকাবুধবার , ২৫ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

বাঁধ সংস্কার ও পাখিমারা বিলের টিআরএম কার্যক্রম রাখার দাবী


কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়ন ও দ্রুত পেরিফেরিয়াল বাঁধ সংস্কার পূর্বক পাখিমারা বিলের টিআরএম কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবীতে তালা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।



আজ বুধবার (২৫ আগষ্ট) বেলা ১২টায় তালা উপজেলা পানি কমিটির পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তালা উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ময়নুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে বলেন, তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে বিগত দিনে টিআরএম কার্যক্রম বাস্তবায়ন হওয়ায় কপোতাক্ষ অববাহিকার জনজীবনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কবল থেকে এই এলাকা মুক্ত হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন জটিলতার কারণে পাখিমারা বিলে টিআরএম কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যাবে কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন ধরণের সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার তাহিরপুর থেকে খুলনা জেলার পাইকগাছা সদরের শিববাটী পর্যন্ত অববাহিকায় বসবাস করে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক মানুষ। গত শতাব্দীর ৯০ দশকে কপোতাক্ষ অববাহিকায় জলাবদ্ধতা শুরু হয় এবং ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমাধানকল্পে জনগণের দাবীর প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্প (১ম পর্যায়)’ অনুমোদন করেন। প্রকল্পটি শুরু হয় ২০১১ সালের জুলাই মাসে এবং সমাপ্ত হয় ২০১৭ সালের জুন মাসে। প্রকল্পটি ছিল- ৯০ কি.মি নদী খনন এবং তালা উপজেলার জালালপুর, খেশরা ও মাগুরা ইউনিয়নে অবস্থিত পাখিমারা বিলে টিআরএম বাস্তবায়ন।

প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের অগ্রগতি ফলে বিগত ২০২০ সালের আগষ্ট মাসে ৫৩১ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে ৪ বৎসর মেয়াদী ২য় পর্যায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পটির মূল কাজ হলো পাখিমারা বিলে টিআরএম কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং নদী খনন।

তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের ২০ মে উপকূলীয় এলাকায় প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় আম্ফান সৃষ্ট জলোচ্ছ¡াস তান্ডবে পাখিমারা বিলের পেরিফেরিয়াল বাঁধ ৫ জায়গায় ভেংগে যায়। এতে জালালপুর ও মাগুরা ইউনিয়নের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পটি চালু করার পূর্বে কর্তৃপক্ষের উচিত হবে তাদের ভোগান্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে সুরাহা করা।


এ সময় তিনি আরও বলেন, টিআরএম বাস্তবায়নের ফলে নদী যে পরিমাণ প্রশস্ত ও গভীর হয়েছিল তা আবারও পলি দ্বারা ভরাট হতে শুরু করেছে। কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রæত অগ্রাধিকার মূলক একটি প্রকল্প। প্রকল্পটির শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হোক সেটি কোনক্রমেই কাম্য হতে পারে না। এর সফলতা ধরে রাখা নির্ভর করছে পাখিমারা বিলে টিআরএম কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যাবে কিনা তার উপর। সেকারণে অতিদ্রæত পেরিফেরিয়াল বাঁধ সংস্কার করে টিআরএম চালু করা অত্যন্ত জরুরী। ২য় ফেইজ শুরু জুলাই’২০২০ থেকে, ইতোমধ্যে এক বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে প্রকল্পের সুবিধা জনগণের অনুকূলে আসবে না।

তাই টিআরএম বাস্তবায়নে পাখিমারা বিল অধিবাসীদের ভোগান্তির বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এখনই পেরিফেরিয়াল বাঁধ সংস্কার পূর্বক টিআরএম কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রথম পর্যায় প্রকল্পের বকেয়া ও দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ পূর্বক অতিদ্রæত কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের বাস্তবায়ন দৃশ্যমান করার দাবী জানান।


তালা উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, পানি কমিটি নেতা অচিন্ত্য সাহা, মোঃ শফিকুল ইসলাম, উত্তরণের দিলীপ কুমার সানা, মোঃ ফাওজুল কবীর প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া