ঢাকারবিবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

বরগুনায় জোয়ারের পানিতে ডুবে গেছে ফেরিঘাট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

মহিউদ্দিন অপু, বরগুনা সদর প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ণ


বরগুনার বিষখালী নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বড়ইতলা-বাইনচটকী ফেরিঘাটে ভোগান্তিতে পড়েন বাস, ট্রাকসহ যাত্রীরা।



এ জেলার বিষখালী নদীর পূর্বপারে রয়েছে বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এবং পশ্চিম পারে রয়েছে বাইনচটকী ফেরিঘাট। বরগুনা জেলা শহর থেকে পশ্চিম পারে পাথরঘাটা, বামনা, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর, খুলনা, রাজশাহীসহ অন্যান্য সব উপজেলা ও জেলার সাথে যোগাযোগের প্রধান মহাসড়কের নদী পারাপারের স্থান বাইনচটকী-বড়ইতলা ফেরিঘাট। এই ফেরিঘাট দিয়ে অসংখ্য বাস, মিনিবাস, মাল বিহীন ট্রাকসহ ও যাত্রী পারাপার হয়। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেলে বড়ইতলা-বাইনচটকী ফেরিঘাট মানুষ ও গাড়ি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে।


আজ রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গেছে, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে পন্টুন থেকে রাস্তায় ওঠার সংযোগস্থল প্রায় ৩ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহে নদীর পানি বাড়ায় ফেরিঘাট এলাকা পুরোটা পানির নিচে ডুবে গেছে। আরেকটু পানি বাড়লে ফেরি চলাচল হয়তো বন্ধ ঘোষণা করা হতে পারে।


ফেরিতে পারাপার হওয়া মো. আনিস মুসুল্লী বলেন, মাঝে মধ্যে এখান থেকেই পরিবারসহ বাড়িতে যেতে হয়। ফেরিঘাট পানিতে ডুবে যাওয়ায় আমাদের পারাপারে নানা সমস্যা হচ্ছে। ফেরিতে পারাপার হওয়া এম্বুলেন্স চালক মো. হৃদয় বলেন, আমরা ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছি। রোগী ও নারী-শিশুদের নিয়ে পারাপারের সময় খুব আতংকে থাকি।


ফেরিঘাটের মোটরসাইকেল চালক কাশেম হাওলাদার বলেন, হাঁটু সমান পানিতে ভিজে ফেরিতে উঠতে হয়। কিন্তু আমরা উঠতে পারলেও সাথে থাকা মহিলাদের খুবই কষ্টর অবস্থা সৃষ্টি হয়। যে কোন সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে।
ট্রাক চালক আল-আমিন বলেন, গাড়িতে যে মালামাল আছে তা ভিজে গেলে মালিকের কাছে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আমার। নদীর পানি না কমা পর্যন্ত বসে থাকতে হবে এখানে।


ফেরিঘাটের চায়ের দোকানদার আনসার উদ্দিন জানান, দু’দিন ধরে জোয়ারের পানিতে ফেরিঘাট ডুবে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ফেরিঘাট পারাপার হওয়া সাধারণ মানুষ। কলেজ শিক্ষার্থী মো. সোহাগ বলেন, আমাদের কলেজে যেতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে আমাদের ভিজে যেতে হয়।


বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা যায়, আমাবস্যার জোয়ারের সাথে পূর্ব বাতাসের প্রবাবে পানির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৩.১০ সেন্টি মিটার অর্থাৎ বিপদ সীমার ২৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া