ঢাকাবুধবার , ২৫ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

বঙ্গবন্ধু সার্ফারী পার্কে বেড়েছে প্রাণীর সংখ্যা, নেই দর্শনার্থী

জিয়াউল হক জিয়া, চকরিয়া প্রতিনিধি
আগস্ট ২৫, ২০২১ ৪:১২ অপরাহ্ণ


মহামারী করোনা সংক্রমণে অনিদিষ্ট কালের জন্য বন্ধ থাকছিল পার্ক গেট। প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল দর্শনার্থীর। ফলে দীর্ঘ প্রায় দুই বছরে এই সময়ে নানান প্রকৃতির গাছগাছালীর সবুজায়ন পার্কে বেড়েছে হরেক প্রজাতির প্রাণীর সংখ্যা। লকডাউন খুলে দিলে, উন্মুক্ত হল পার্কের বন্ধ গেট, নেই চোখে পড়ার মত দর্শনার্থী। হতাশ গেট ইজারাদার। বলছিলাম পর্যটন নগরী কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নস্হ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সার্ফারী পার্কের কথা।


সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, করোনার দীর্ঘ সময় পাড়ি দিয়ে পার্কের প্রাণ চাঞ্চল্যতা ফিরে আসলেও, নেই দেশ-বিদেশের,দূর-দূরান্তের দর্শনার্থী। তবে আন্তঃজেলা জেলা সহ পাশ্ববর্তী বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলার হাতে গুনা গুটি কয়েকদল দর্শনার্থীর দেখা পাওয়া যায়। যারা চট্রগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে। লক্ষ্য করা হল,তাদের দিকে, তারা এদিক সেদিক বিমূখ দৃষ্টিতে থাকায়, বলে উঠে আগে পার্কে এত প্রাণী দেখিনি। হয়তো প্রজন্ম বেড়েছে।তাছাড়া ফিরেছে সবুজায়ন গাছের সজীবতা। সব মিলিয়ে প্রাকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপূর্ব এক দৃশ্য। মন জুড়ানো মনোরম এক পরিবেশ।সামনে এগিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তাদের নাম কি?কোন এলাকার লোক? প্রতি-উত্তরে এরশাদ নামের এক দর্শনার্থী বলল, আমাদের বাড়ী বাঁশখালী উপজেলার বইলছড়ি ইউনিয়নে। পড়ে চট্টগ্রাম ইউভার্সিটিতে। প্রতিষ্ঠান বন্ধে অলসতা জীবনের কাটছেনা সময়। তাই লকডাউন শিথিল করায়, দূরে কোথাও না গিয়ে পাশ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলার পার্কে ভ্রমণে এসেছিল। কথা বলতে-বলতে অল্পতে হয়ে গেল তাদের সাথে গল্পের আসর। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে পার্কের অনেক স্পষ্ট ঘুরে দেখি, বাঘ, সিংহ, গয়াল, বনগরু, জলহস্তী, জেব্রা, হরিণ, নানান জাতের বানর, কুমির, হাতি, নানান জাতের সাপ, বন মুরগ-মুরগী, অতিথি পাখি সহ নানান জাতের পাখি, অজগর সাপসহ আরো কত কি? সব চেয়ে বেশী ভাল লেগেছে যতক্ষণ পার্কের অলিগলিতে হেটেঁছি ততক্ষণ পাখি, বানর সহ বিভিন্ন প্রাণীর গুঞ্জন শুনেছি।

সার্ফারী পার্কের রেঞ্জকর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, করোনা সংক্রমণে বন্যপ্রাণীরা নিজ বেষ্টনীর ভিতরে সবুজায়ন বনে অবাধে বিচরণ করায়, দর্শনার্থীর কোন আবাস না পাওয়া, বন্যপ্রাণীদের ঘরে এসেছে নতুন অতিথি। এভাবে বেড়েছে প্রাণীর সংখ্যা। তাছাড়া ৯শত হেক্টর বনভূমির উপর উপবৃষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সার্ফারী পার্ক। তিনি আরো বলেন, যদিওবা লকডাউন শিথিলে দর্শনার্থী ভ্রমণের জট খুললেও, এখন বর্ষাকাল। বর্ষা মৌসুমে এমনিতে পর্যটকদের সংখ্যা তুলনামূলক কম হতো, এখনতো নেই বললেই চলে। তবে আশা করছি সামনে শীতরে মৌসুমে যদি করোনা সংক্রমণের প্রভাব না থাকে, স্বাভাবিক চলাফেরার সুযোগ পায় দর্শনার্থীরা। তখন হয়তো পার্কের পুরানো দৃশ্য অর্থাৎ দর্শনার্থীর আনাগোনা বাড়বে। এছাড়া করোনা বন্ধে সরকারীভাবে পার্কের অনেক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। সর্বপুরি পার্কের ভিতরে পর্যটকদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য টুরিষ্ট্র পুলিশ রয়েছেন।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া