ঢাকাশনিবার , ২১ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ইনডেমনিটি দিয়েছিল জিয়া : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী


তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ মুরাদ হাসান এমপি বলেছেন, আজ এই জাতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশাপাশি স্মরণ করছে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত আইভি রহমানসহ ২৪টি ঝরে যাওয়া প্রানকেও।



আজ শনিবার বিকালে আড়াইহাজার উপজেলা যুবলীগের উদ্যেগে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত ও নিহতের স্বরনে উপজেলার এস এম মাযহারুল হক অডিটরিময়ামে আয়োজিত আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা যেভাবে আমাকে সম্ভাষণ করেছেন আমি শ্রদ্ধাভরে আপনাদের স্যালুট জানাই। আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ। আমার অহংকার একটি জায়গায়, আমি বাঙালি। আমি বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে জন্মেছি। আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আমি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকের সন্তান। এটা আমি বুক ফুলিয়ে মাথা উচু করে বলতে পারি। বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের জন্য আমি রক্ত দিতেও প্রস্তুত। এই জাতির স্রষ্ঠার নাম কী, প্রতিষ্ঠাতার নাম কী আমরা যেন তা ভুলে না যাই। কোথায় কীভাবে কথা বলতে হবে বুঝে শুনে বলতে হবে।


আমরা রাজনীতি করতে এসেছি মশকরা করতে আসি নাই। আমরা রাজনৈতিক কর্মী। জেলে থাকবো, মামলা খাবো। বহু মামলার শিকার হয়েছি। তিনি বলেন, আমি যখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়ি। সেই ৯০ এর দশক থেকে আমি বাবু ভাইকো চিনি। ইতিহাস কথা বলবে। সূর্যকে কোন মেঘ ঢেকে রাখতে পারে না।

এটা বঙ্গবন্ধুর রক্তের বাংলাদেশ এটা ভুলে যাবেন না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে থাকতেন, বঙ্গভবনে থাকেন নি। রাষ্ট্রের অর্থ তিনি নষ্ট করেন নি। সাধারণ মানুষের মতই তিনি ভাত খেতেন, পোলাও মাংস খেতেন না। ভুলে যেন না যাই, কার জন্য রাজনীতি করি৷

বিশ্বাসঘাতকেরা এখনও আছে। তারা পুরোপুরি শেষ হয় নাই৷ যারা বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে নির্বংশ করতে চেয়েছে তারা এখনও আছে। আমাদের বঙ্গবন্ধুর মত ভাবতে হবে, তার কন্যা শেখ হাসিনার মত ভবতে হবে। অন্য কোন ভাবনা এই বাংলার মাটিতে হবে না। আওয়ামী লীগে মুজিবকোট পড়ে পদ নিয়ে নেতা সেজে ভাব, অনেক বড় নেতা হয়েছি। এইসব এই বাংলাদেশে চলবে না। সাধারণভাবে চলাফেরার চেষ্টা করুন। আমরা সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের পয়সা দিয়ে চলি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিৎকার করলেই কী নেতা। আমার চেয়ে জোরে কেউ চিৎকার করতে পারবে না৷ তাহলে কী আমিই সবচেয়ে বড় নেতা, মোটেই নয়। আমি শুনতে এসেছি। আমি শিখতে ও দেখতে এসেছি। আমি বাবু ভাইকে দেখতে এসেছি। আমাদের রক্তের গ্রুপ এক। এই রক্ত আপোষ করেনা, বেইমানি করে না।

মন্ত্রী হওয়া আমার স্বপ্ন নয়, কখনও ছিল না। আমি আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হতে চাই। আগে নিজেকে দেখুন চিনুন। কথা বলার সময় সাবধানে বলবেন। ভুল কথা বললে কানে লাগে। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে হয়েছিল, অন্য কোথাও না। এত নেতা হয়েছি আমরা, এত বড় বড় পদ আমাদের কী বলবো। বঙ্গবন্ধু কী গাড়িতে উঠেছিলেন। কার টাকার এই গাড়ি। বঙ্গবন্ধুর রক্ত আদর্শ ও তার অস্তিত্বের উত্তরাধিকার শেখ হাসিনা, তাকে তো কোনদিন প্যাশন করতে দেখলাম না। বেগম জিয়াই জিয়া হত্যাকান্ডের প্রধম কুশীলব। জিয়াকে হত্যা না করা হলে বা জিয়া না মরলে বেগম জিয়া কী প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন।

বঙ্গবন্ধুকে কী অপরাধে হত্যা করা হল। কেন বঙ্গবন্ধু বঙ্গভবনে থাকলেন না, ৩২ নম্বরের বাড়িতে থাকলেন। এই কী ছিল অপরাধ। কেন পাকিস্তানের কারাগারে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ফাঁসির কাষ্টে দাড়িয়েও তিনি আপোষ করলেন না। এটাই কী ছিল তার অপরাধ।


তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ইনডেমনিটি দিয়েছিল জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কী এই বাললার মাটিতে হত। শেখ হাসিনা তা করেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কী বাংলার মাটিতে হত, কারও সাহস ছিল। শেখ হাসিনা করেছেন। আমি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার চাই। আলোচনা সভায় সভাপতিত্বে করেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আহাম্মেদুল কবির উজ্জল। প্রধানন আলোচক ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ নজরুল ইসলাম বাবু। বিশেষ আলোচক ছিলেন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক সুব্রত পালসহ দলীয় নেতা কর্মীরা।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া