ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৯ আগস্ট ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

পর্যটকের প্রানোচ্ছাসে মুখরিত কুয়াকাটা

মফস্বল সম্পাদক
আগস্ট ১৯, ২০২১ ৪:৫৪ অপরাহ্ণ


প্রায় পাঁচ মাস পর হাজারো পর্যটকের প্রানোচ্ছাসে মুখরিত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। পর্যটকদের এমন কোলাহলে যেন প্রান ফিরে এসেছে পর্যটন নগরী সাগরকন্যায়।



১৮ কিলোমিটার সৈকত জুড়ে পর্যটকদের বাঁধ ভাংগা উল্লাস। সৈকতসহ বিপনী বিতান, শুটকী-ঝিনুক মার্কেট, দর্শনীয় স্থানে পর্যকদের উপস্থিতি পর্যটন ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিস্টদের মাঝে বিরাজ করছে আনন্দ উচ্ছাস। মুখে মাক্সসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকদের চলাচলে তৎপর রয়েছে টুরি‌্যস্ট পুলিশ। দীর্ঘ পাঁচ মাসের অচলাবস্থা কাটিয়ে আজ থেকে পর্যটক বরনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। নতুন রূপে সাজানো হয়েছে হোটেল-মোটেল-কটেজসহ বিপনী বিতান, দর্শনীয় স্থান। কাজ না থাকায় বাড়ী চলে যাওয়া কর্মচারীরা ফিরে এসেছে। সরকারী নির্দেশনানুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনায় এসব কর্মচারীদের দিক নির্দেশানা দেয়া হয়েছে প্রশাসন ও মালিক পক্ষ থেকে। পর্যটন মৌসুম না হলেও দ্বিতীয় দফা লকডাউনরে লোকসান কাটিয়ে অন্তত: খরচ পোষাতে পারবেন এমন প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।


করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দ্বিতীয় দফা লকডাউনে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটার পর্যটন খাত। সব শ্রেনীর বিনিয়োগকারীসহ মাঝারী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পড়েন বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে ফটোগ্রাফার, ট্যুরস অপারেটরস, ফিসফ্রাই-শুটকী-ঝিনুক পল্লী, সৈকতের ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। জীবিকা বন্ধ থাকায় এরা পার করছে মানেবতর জীবন।


ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও ব্যাংক, এনজিও’র ঋনের চাপে অনেক ব্যবসায়ী হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। অনেকেই এসব ঋন পরিশোধে বিকল্প ব্যবসার চিন্তা করছেন। এদিকে লোকসানের বোঝা বইতে না পেরে অনেক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে কয়েকশ’ শ্রমিক-কর্মচারীকে চাকুরিচ্যুত করতে বাধ্য হয়েছেন।


কুয়াকাটা টুর‌্যস অপরেটর এশোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রুমান ইতিয়াজ তুষার বলেন, প্রথম দফার মত দ্বিতীয় দফা লকডাউনের ফলে পর্যটন সংশ্লিস্ট অনেক কর্মচারী তাদের চাকুরী হারিয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানে এসব কর্মচারীদের পুনরায় যোগাদন হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত। কারন লোকসানের বোঝা হালকা করতে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ছাটাই করছে।


গ্রীন ট্যুরিজমের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন রাজু বলেন দীর্ঘদিন লকডাউনের কারনে পর্যটন পেশার সাথে সংশ্লিস্ট অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী অন্য পেশায় সংযুক্তির কারনে ইত মধ্যেই এখাদে অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই অনেক দেরিতে হলেও সরকার পর্যাটন কেন্দ্র গুলো খুলে দেয়ার কারনে কিছুটা হলেও আমরা ক্ষতি পুশিয়ে উঠতে পারবো।


কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট গাইড এশোসিয়েশনের সভাপতি এবং আন্ধার মানিক ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএম বাচ্ছু বলেন চলমান সংকট মোকাবিলা করে ঘুরে দাড়নোর জন্য প্রয়োজন সরকারের আপতকালীন ও দীর্ঘ মেয়াদী সহযোগিতা।


কুয়কাটা হোটেল-মোটেল ওসার্ন এসোশিয়েশনের সেক্রেটারী জেনারেল মোতালেব শরীফ বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনার পর কুয়াকাটার সকল হোটেল-মোটেল-কজেট বন্ধ রয়েছে। সমুহ ক্ষতি বিবেচনায় বাধ্য হয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মচারীদের ছুটি দিয়েছেন। চলতি পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই ছিল এক ধরনের স্থবিরতা। এমন পরিস্থিতিতে সব মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি সম্মুখীন হয়েছেন পর্যটন সংষিøস্ট ব্যবসায়ীরা।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া