ঢাকাশুক্রবার , ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

নখের তিনটি রোগ

দেশ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১ ১২:২৮ অপরাহ্ণ

ডা. দিদারুল আহসান


নখের অসংখ্য রোগ আছে। তবে এখানে মাত্র কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রোগ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করা হলো :



প্যারোনাইকিয়া : নখের fold বা ভাঁজযুক্ত স্থানে প্রদাহ বা infection হওয়াকেই প্যারোনাইকিয়া বলা হয়। এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যুবতীদের বেশি হতে দেখা যায়, যারা কিনা পানি নিয়ে বেশি নাড়াচাড়া করে। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদেরও এটা বেশি হয়। এছাড়া লন্ড্রি ও রেস্টুরেন্ট কর্মচারী এবং রান্নাঘরের বাবুর্চিদের মধ্যেও এ রোগ হতে দেখা যায়। এর আরেকটি কারণ হতে পারে- যদি নখের কোণে আঘাত লাগে, সুচ ফোটে বা সেখানে জীবাণু দূষণ ঘটে, তাহলেও এ রোগ সৃষ্টি হতে পারে। এটা ব্যাকটেরিয়া বা ক্যানডিডা (ছত্রাক) বা দুটোরই আক্রমণের কারণে হতে পারে। প্যারোনাইকিয়া যদি ক্রনিক বা দীর্ঘদিনের হয়, তাহলে তাকে ক্যানডিভারের (ফাঙ্গাস)র কারণেই হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। তবে অপঁঃব বা সদ্য প্যারোনাইকিয়ার ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়ার কথাই সর্বপ্রথম বিবেচনায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে নখের ভাঁজে ব্যথা হয় এবং ক্রমেই তা গোটা আঙুলের মাথায় ছড়িয়ে পড়ে।
চিকিৎসা : হাত সব সময় শুষ্ক রাখতে হবে। কারণ অনুসারে অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিফাঙ্গাল দিয়ে চিকিৎসা করতে হবে।


টিনিয়া আনগুইয়াম বা নখের ছত্রাক রোগ : এক্ষেত্রে নখ ছত্রাক দিয়ে আক্রান্ত হয় সবচেয়ে বেশি এবং প্রথমে পায়ের বড় আঙুলের নখে সাধারণত আক্রমণ ঘটে। প্রথমে একটি নখ আক্রান্ত হয়, তারপর ক্রমেই সব নখে ছড়িয়ে পড়ে। এতে নখ মোটা ও কর্কশ হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে আক্রান্ত নখের নিচের অংশ চেঁচেপুঁছে নিয়ে যদি পরীক্ষা করা হয়, তাহলে এ রোগ খুব সহজেই নির্ণয় করা যায়।
চিকিৎসা : ফাঙ্গাস নামক ওষুধ সেবনে এ রোগ ভালো হয়। তবে একটি কথা মনে রাখতেই হবে, পানিতে হাত ভেজানো সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখতে হবে। তা না হলে চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকবে।


নকখুনি : ত্রুটিপূর্ণভাবে নখ কাটার কারণে এ রোগটি হতে দেখা যায়। সেজন্য সব সময় নখ সতর্কতার সঙ্গে কাটতে হবে। এক্ষেত্রে নখের এক কোনা বৃদ্ধি পেয়ে পাশে মাংসল অংশে ঢুকে পড়ে। ফলে সেখানে জীবাণুর দূষণ ঘটে। রোগটি সাধারণত বুড়ো আঙুলের কোণেই বেশি হয় এবং নখের কোণে প্রচন্ড ব্যথা হয়। ফুলে ওঠে, পুঁজ জন্মে এবং সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। কাদামাটি, বর্ষা, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় এটা বেড়ে যেতে পারে।
চিকিৎসা : আক্রান্তের পরিমাণ কম হলে ট্রাইক্লোরো অ্যাসিটিক এসিড বা সিলভার নাইট্রেট ব্যবহারে উপকার হয়। অনেক ক্ষেত্রে নখ তুলে ফেলার প্রয়োজন হয়। ইনফেকশন থাকলে অ্যান্টিবায়োটিকও ব্যবহার করতে হবে।

প্রতিবেদক

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া