1. ayanabirbd@gmail.com : deshadmin :
  2. hr.dailydeshh@gmail.com : Daily Desh : Daily Desh
  3. Khulnabureaudesh@gmail.com : Khulna bureau : Khulna bureau
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন কিনতে তালিকা তৈরির নির্দেশ বরেণ্য সঙ্গীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী আর নেই ডিএনসিসি মার্কেটকে আরবান হাসপাতাল করার পরিকল্পনা ডিএনসিসি মেয়রের বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের ষড়যন্ত্রীদের মুখোশ উন্মোচন প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী সিনহা হত্যায় ‘র’ ও ‘মোসাদ’ জড়িত, সন্দেহ ডা. জাফরুল্লাহর পর্যায়ক্রমে ১৫ আগস্টের পর থেকে সব ট্রেন চালু করা হবে এবারে ঈদযাত্রায় সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ২৪২ জন আরো ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৮৭ ১৫ই আগস্ট বন্ধ থাকবে আখাউড়া স্থলবন্দরের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুমিল্লার পর্যটন কেন্দ্র শালবন বিহার খুলে দেয়ার দাবি সংস্লিষ্টদের

গ্যালারীতে দর্শক ফেরানোই মূল লক্ষ্য, দেশ’কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে কাজী সালাউদ্দিন

তারিক আল বান্না
  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২০

আকাশের সৌন্দর্য যেমন নীলে, নদীর আকর্ষণ যেমন ঢেউয়ে, বনের আকৃষ্টতা থাকে সবুজ গাছ-গাছালিতে, তেমনই ফুটবলের প্রাণ দর্শকে। সে কথা সবাইকে মানতেই হবে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, ইতালি, জার্মানি, নাইজেরিয়া, হল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্স, পর্তুগাল, ক্যামেরুন, ইরানের মতো ফুটবল দেশ খেলাটিতে এগিয়ে রয়েছে। আর এই এগিয়ে থাকার পেছনে অন্যতম বিষয়টি হলো দর্শক। বাংলাদেশের ফুটবলের সেরা বিজ্ঞাপণ কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন দর্শককে শুধু প্রাণ বলেই ক্ষান্ত হননি। বললেন, বাংলাদেশের ফুটবলের সুনাম অর্জনের সেরা উপায় দর্শক বাড়ানো।


দৈনিক দেশ’কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে অনেক আবেগপ্রবণ কথাবার্তা বলেন তিনি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি দেশ এর জন্য শুভকামনাও জানান।


বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো করোনাভাইরাসে বাংলাদেশও দিশেহারা। আক্রান্তের হার আশংকাজনক বাংলাদেশে। ভাইরাসটি বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গ সঙ্গে স্থগিত হয়ে পড়ে সকল প্রকার খেলাধুলা। ফুটবলও বাদ পড়েনি এটা থেকে। এমনকি বাফুফে ভবনও বন্ধ হয়ে যায়। অথচ, আসছে অক্টোবরে বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেে শর খেলা রয়েছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ঐ ম্যাচকে সামনে রেখে বাফুফে জুলাই মাসের শেষের দিকে অনুশীলন কার্যক্রম শুরু করতে পারে বলে জানালেন সালাউদ্দিন। ‘গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ সামনে। আমরা তাই এ মাসের শেষে খেলোয়াড়দের জন্য অনুশীলনের ব্যবস্থা করার চিন্তা করছি। অনুশীলন দ্রুত শুরু না করলে ছেলেরা নিজেদের তৈরি করতে পারবে না।

আমাদের লক্ষ্য বাছাইপর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে ভালো রেজাল্ট করা। খেলোয়াড়দের চেষ্টা আর দর্শকদের উৎসাহ ঐ ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনতে সহায়তা করবে বলে আমার বিশ্বাস।’ অর্থাৎ ঘুরেফিরে সেই দর্শকের কথা বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা এই ফুটবলারের মুখে। বললেন, ‘বাংলাদেশ দল তাদের সর্বশেষ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচগুলোতে দারুণ খেলেছে। কিন্তু গ্যালারিতে দর্শক ছিলই না বলা চলে। দর্শকদের উৎসাহ ছাড়া খেলোয়াড়েরা উজ্জীবিত হতে পারে না। ফলে ঐ ভালো খেলা আর দীর্ঘায়িত করাও মুশকিল হয়ে পড়ে তাদের জন্য।’ নিজের ফুটবল জীবন প্রসঙ্গে আবেগভরা কন্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ঢাকায়, ঢাকার বাইরে, এমনকি দেশের বাইরে জার্সি পড়ে মাঠে নামতাম, তখন লক্ষ্য করতাম দর্শকদের সংখ্যা কিংবা তাদের মনোভাব। যখন দেখতাম দর্শকরা আমার মাঠে নামাকে স্বাগত জানাচ্ছে, তখন খুবই ভালো লাগতো। ভালো খেলারও দায়বদ্ধতা চলে আসতো। আমি তো দর্শক ছাড়া ফুটবলকে কল্পনাই করতে পারি না। এখন যখন দর্শক ছাড়াই মামুনুল- জামাল ভুইঁয়াদের মাঠে নামতে হয়, তখন ভালো ফলাফল না এলেও তাদের দোষ দিতে পারি না। আমার আগামীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য যেভাবেই হোক ফুটবলে দর্শক ফিরিয়ে আনা।’
করোনাকালে বাসাতেই দিনের সারাটা দিন কাটাতে হচ্ছে বলে দারুণ আক্ষেপ সালাউদ্দিনের। জানালেন, ‘বাসাতে আবদ্ধ রয়েছি। করোনার নিয়মনীতি মানতে ফেডারেশনে আসা হয় না। বাসায় বসেই কাজকর্ম করতে হচ্ছে। তাই কাজের গতিও কম। সীমিত আকারে ফেডারেশনের কাজ শুরুর চিন্তা চলছে। খেলোয়াড়দের অনুশীলন শুরুর আগেই আমাদের অফিসিয়াল কাজ চালু করতে হবে।’ দর্শক হ্রাস সম্পর্কে আরেক প্রশ্নের জবাবে সালাউদ্দিন বলেন, ‘১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দর্শক খরা আরম্ভ হয়। ধীরে ধীরে খরা বাড়তেই থাকে। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে গ্যালারী হয়ে পড়ে দর্শকশুন্য। এটা এমন অবস্থা সৃষ্টি করলো যে, ভালো খেলাতেও দর্শক আসে না। মোহামেডান ও আবাহনীর খেলাতেও বর্তমানে হাতে গনা কয়েক হাজার দর্শক স্টেডিয়ামে যায়। যেখানে ঐ ম্যাচে দর্শক হতো মিনিমাম পঞ্চাশ হাজার। যা এখন কল্পনারও বাইরে।’ ফুটবলের দর্শক ও মান বাড়াতে বিদেশের মাটিতে গিয়ে বেশি বেশি ম্যাচ খেলার খেলার উপর তাগিদ দেন জনপ্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব সালাউদ্দিন। বললেন, ‘আমি যখন ফুটবল খেলতাম, তখন দর্শকও হতো অনেক। আর খারাপ খেললে মনে হতো দর্শকরা তো টিকিট কেটে গ্যালারিতে এসেছে। তাদেরকে ভালো খেলা উপহার দিতেই হবে। এখন তো ফুটবলে দর্শকই হয়না। ঐ দায়বদ্ধতাও থাকেনা খেলোয়াড়দের মনে। তারপরও বর্তমান জাতীয় দল বেশ ভালো খেলছে।’

একটা বিষয়ে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বাংলাদেশের ফুটবল এর এই জীবন্ত কিংবদন্তী। তা হলো, পত্র-পত্রিকার কড়া সমালোচনা। তিনি আক্ষেপ নিয়ে বললেন, ‘সাংবাদিকরা আমাদের নিয়ে কিংবা ফুটবলের স্বার্থে সমালোচনা করবেন, এটাই স্বাভাবিক। তবে সেটা হওয়া দরকার গঠনমূলক। পত্রিকায় ফুটবল নিয়ে পজিটিভ রিপোর্ট একেবারেই হয় না। শুধুই নেগেটিভ রিপোর্ট। নেগেটিভের পাশাপাশি পজিটিভ সমালোচনামূলক রিপোর্ট হলে ভালো হয়। শুধুমাত্র নেগেটিভ রিপোর্টে খেলোয়াড়রা ভালো খেলার প্রেরণা পায় না। দর্শকরাও ফুটবলের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে এবং তারা স্টেডিয়ামে আসার উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। যেমন মোহামেডান ও আবাহনীর ঐতিহ্যবাহী লড়াই নিয়ে তেমন কোনো রিপোর্ট হয়না। ফুটবলের মান- জনপ্রিয়তা যেমনই হোক এই দুদলের ম্যাচকে ঘিরে ভালো রিপোর্ট হলে কিন্তু দর্শকরাও উদ্বুদ্ধ হতে পারে। দর্শক ছাড়া ফুটবল তো খাপছাড়া।’
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের একজন সদস্য হিসেবে নিজে বেশ গর্বিত সালাউদ্দিন। বললেন, ‘আমার জীবনের অন্যতম বড় অহংকার আমি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের হয়ে খেলেছি, ফান্ড তৈরির কাজে নিয়োজিত থেকেছি, ফুটবলের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দিতে পেরেছি। যুদ্ধ চলাকালে ফুটবলের প্রতি দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করতে পেরেছিলাম বলেই হয়তো সকলের দোয়ায় পরবর্তীকালে সুনাম অর্জন করতে পেরেছি, দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা পেয়েছি।’
ফুটবল নিয়ে এ মুহূর্তে তার নিজের সর্বশেষ অনুভূতি হলো, ‘মাঠে আসুক দর্শকরা, ফুটবল নতুন করে প্রাণ ফিরে পাক।’ আমরাও সালাউদ্দিনের মতো চাই, ফুটবলের সেই জনপ্রিয়তা ফিরে আসুক, দর্শকে দর্শকে গ্যালারী ভরে উঠুক, খেলাটির মান বাড়ুক।

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

নামাজের সময়সূচীঃ

    Dhaka, Bangladesh
    সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:১১
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৩২
    যোহরদুপুর ১২:০৪
    আছরবিকাল ৩:২৯
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৩৫
    এশা রাত ৭:৫৬

@ স্বত্ত দৈনিক দেশ, ২০১৯-২০২০

সাইট ডিজাইনঃ টিম দেশ