1. ayanabirbd@gmail.com : deshadmin :
  2. hr.dailydeshh@gmail.com : Daily Desh : Daily Desh
  3. Khulnabureaudesh@gmail.com : Khulna bureau : Khulna bureau
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২০, ০৫:৪০ অপরাহ্ন

খাদ্য নিরাপত্তায় ১৭৩৭ কোটি টাকা গ্রহণ করলো বাংলাদেশ

কল্যান রায়
  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০

৪৫ লাখ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ২০ দশমিক ২ কোটি ডলার গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে টাকায় প্রায় এক হাজার ৭৩৭ কোটি দুই লাখ টাকা।


বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ বাংলাদেশের জাতীয় কৌশলগত কারণে শস্য মজুদের পরিমাণ বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আটটি আধুনিক স্টিল সাইলো নির্মাণ করা হবে।

রোববার (২ আগস্ট) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানা হয়।

এতে বলা হয়, এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৯১৯ কোটি ৯৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে বেশির ভাগ টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, আশুগঞ্জ, ময়মনসিংহ, মহেশ্বরপাশা, চট্টগ্রাম ও মধুপুরে সর্বমোট পাঁচ দশমিক ৩৫ লাখ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আটিটি আধুনিক স্টিল সাইলো নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জপূর্ণ সময়ে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, যেমন ঘন ঘন জলবায়ু বিপর্যয় বা বর্তমান করোনা ভাইরাস মহামারির মতো সঙ্কট থেকে মুক্তি দেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিতে দুর্যোগ পরবর্তীতে খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য শস্য সংরক্ষণাগারকে বড় করা হবে। একটি অনলাইন ফুড স্টক অ্যান্ড মার্কেট মনিটরিং সিস্টেমের (এফএসএমএমএস) মাধ্যমে শস্য সংগ্রহের ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়িয়ে তুলবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে নারীদের জন্য নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করবে।

সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ আনিস বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠী গ্রামীণ অঞ্চলে বাস করে। জলবায়ুর ঝুঁকি এসব মানুষের জীবন-জীবিকা ও খাদ্য সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়। আধুনিক সাইলো খাদ্য নিরাপত্তাতে নিশ্চিত করতে পারে। বর্তমানে করোনা মহামারির মতো সঙ্কটের সময় খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। ’

বিশ্বব্যাংকের ঋণে বাস্তবায়নাধীন আটটি আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার বা সাইলোর নির্মাণকাজ চলছে ঢিমেতালে। সাড়ে চার বছরেও স্টিলের সাইলোর নির্মাণ কাজ আরম্ভ করা হয়নি। ২০২০ সালের জুনে প্রকল্পটি শেষ করার কথা। কিন্তু সাড়ে চার বছরে অগ্রগতি ৩৯ শতাংশ।

দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা, বীজ, শস্য সংরক্ষণের এবং গুণগতমান ও পুষ্টিমান বজায় রাখতে আটটি আধুনিক খাদ্য গুদাম নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ২০১৪ সালে একনেকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২০ সালের জুনে এ খাদ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা। এ প্রকল্পের আওতায় পাঁচ লাখ হাউজহোল্ড সাইলো বিতরণ করবে। অর্থাৎ পারিবারিক পর্যায়ে সাইলো বিতরণ প্রকল্প। প্রতি পরিবারকে ১০০ কেজি চাল সংরক্ষণে ফুড গ্রেড প্লাস্টিক কনটেইনার দেওয়া হবে। প্রতিটি হাউজহোল্ডার সাইলোর দাম ৩০ ডলার।

সরকার এটা বিতরণ করবে ১০ ডলারে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এ প্রকল্পের ঋণ অনুমোদন করা হয়। প্রকল্পের মূল কাজ পাঁচ দশমিক ৩৫ লাখ টন ধারণক্ষমতার আটটি আধুনিক স্টিল সাইলো (চাল ও গম) নির্মাণ।

মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৩৯ শতাংশ। যেখানে অর্থ ব্যয় হয়েছে ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ২১৮ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।  সাইলো নির্মাণে ভূমি উন্নয়ন, সাইট অফিস বিল্ডিং নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ বাবদ ব্যয় হয়েছে মার্চ মাস পর্যন্ত ৫১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন পর্যায়ে বিলম্ব হয়। এর মধ্যে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ, ঠিকাদার প্রাক নির্বাচন, বিভিন্ন প্যাকেজে বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তি গ্রহণ, খুলনা ও ময়মনসিংহ সাইলো সাইটের জরাজীর্ণ ভবন অপসারণের কাজে প্রকল্প বিলম্বিত হচ্ছে। তবে বিশ্বব্যাংকের প্রাপ্ত ঋণে নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে প্রকল্পটি।

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

@desh.click এর অনলাইন সাইটে প্রকাশিত কোন কন্টেন্ট, খবর, ভিডিও কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

নামাজের সময়সূচীঃ

    Dhaka, Bangladesh
    শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:০৯
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৩১
    যোহরদুপুর ১২:০৪
    আছরবিকাল ৩:২৯
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৩৭
    এশা রাত ৭:৫৯

@ স্বত্ত দৈনিক দেশ, ২০১৯-২০২০

সাইট ডিজাইনঃ টিম দেশ