ঢাকারবিবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

কিশোর-সামিসহ সাত জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৪:৪৫ অপরাহ্ণ


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সরকার বিরোধী পোস্ট দেয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় সামিউল ওরফে জুলকারনাইন সায়ের খান ও কার্টুনিস্ট কিশোরসহ সাত জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।



সম্প্রতি আল জাজিরা টেলিভিশনে প্রচারিত সরকার বিরোধী একটি প্রতিবেদনের সঙ্গে সামিউল ওরফে জুলকারনাইন সায়ের খান জড়িত রয়েছেন। অপর দিকে লেখক মুশতাক আহমেদসহ চারজনকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।


আজ রোববার (১২ সেপ্টম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেন মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে লেখক মুশতাক আহমেদসহ চারজনকে অব্যাহতি দেন। এদিকে মামলার চার্জগঠনের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।


অব্যাহতি প্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক সাহেদ আলম, জার্মান প্রবাসী ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন ও ফিলিপ শুমাখার।


এদিকে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় চার্জশিটভূক্ত আসামি সামিউল ওরফে জুলকারনাইন সায়ের খান, নেত্র নিউজের এডিটর ইন চিফ তাসনিম খলিল, আশিক ইমরান ও স্বপন ওয়াহিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।


এরআগে ১৩ জুন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত সংস্থা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) উপ-পরিদর্শক আফসার আহম্মদ।


চার্জশিটভূক্ত আসামিরা হলেন, সামিউল ওরফে জুলকারনাইন সায়ের খান,কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর,রাষ্ট্রচিন্তার ঢাকার সমন্বয়ক দিদারুল ভূঁইয়া,ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান,নেত্র নিউজের এডিটর ইন চিফ তাসনিম খলিল, আশিক ইমরান ও স্বপন ওয়াহিদ।


এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে অব্যাহতির আবেদন করেছেন তদন্ত সংস্থা। তারা হলেন, লেখক মুশতাক আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক সাহেদ আলম, জার্মান প্রবাসী ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন ও ফিলিপ শুমাখার। এরআগে ৯ ফেব্রুয়ারি এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য আবেদন করেন।
১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটকে (সিটিটিসি) অধিকতর তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

২০২০ সালের ৫ মে র‌্যাব-৩ সিপিসি-১ এর ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আবু বকর সিদ্দিক বাদি হয়ে ১১ জনের নামে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ‘আই এম বাংলাদেশি’ নামে একটি ফেসবুক পেজে আসামিরা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুন্ন করতে বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অপপ্রচার বা গুজবসহ বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দেন। যা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়। ওই পেজের অ্যাডমিন সায়ের জুলকারনাইন এবংআমি কিশোর, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমাখার, স্বপন ওয়াহিদ, মুশতাক আহমেদ নামের ফেসবুক আইডিসহ পাঁচজন এডিটর পরস্পর যোগসাজশে ফেসবুক পেজটি দীর্ঘদিন পরিচালনা করছেন।


আহমেদ কবীর কিশোর, তাসনিম খলিল, জুলকারনাইন সায়ের খান, সাহেদ আলম ও আসিফ মহিউদ্দিনের মধ্যে ‘রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিং’ এর প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, তাদের ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোনে ‘আমি কিশোর’ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন অবস্থায় পাওয়া যায়। আলামত পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রবিরোধী পোস্ট, মহামারি করোনাভাইরাস, সরকারদলীয় বিভিন্ন নেতার কার্টুন দিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়াও হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে তাসনিম খলিল, সায়ের জুলকারনাইন (জুলকারনাইন সায়ের খান), সাহেদ আলম, আসিফ মহিউদ্দিনের সঙ্গে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া