ঢাকামঙ্গলবার , ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

আখাউড়ায় যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস

রুবেল আহমেদ, আখাউড়া প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১ ১২:৩১ অপরাহ্ণ


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিয়ম না মেনে গড়ে উঠেছে যত্রতত্র এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান। মানা হচ্ছে না সরকারি কোন নীতিমালা। বিস্ফোরক অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই যেখানে সেখানে বিক্রি করা হয় গ্যাস সিলিন্ডার।


পৌর শহরের পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে উপজেলার প্রতিটি গ্রামের বিভিন্ন দোকানে বিক্রয় করা হয় এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। ঔষধের দোকান থেকে শুরু করে মুদি দোকান ও হার্ডওয়ারীর দোকানেও দেদারছে বিক্রিয় করা হচ্ছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। আর যে দোকান গুলিতে শুধু এলপি গ্যাস বিক্রয় করা হয় তারা সহ কেউ মানছে না সরকারি কোন নিয়ম নিতি। এইসব দোকানীরা দোকানের সামনে রাস্তায় যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে এই গ্যাস সিলিন্ডার। ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় করলেও দোকান গুলিতে নেই কোন অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। আর এতে করে যে কোন সময় ঘটতে পারে বিস্ফোরণ ও প্রাণহানির মত ঘটনা। এসব দোকানীর সাথে কথা বলে জানা যায় বেশির ভাগ দোকানীই জানে না এলপি গ্যাস বিক্রয় করলে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হয়।


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে জানা যায় খুচরা ব্যবসার ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়া ১০টি সিলিন্ডার রাখতে পারবে তবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে লাইসেন্সবিহীন এসব দোকানে বিক্রয় করা হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ এই এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। দিনদিন জ্বালানি হিসেবে বাসাবাড়িসহ হোটেল রেস্তোরাঁয় এলপি গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধির কারনে শহর ও গ্রামের পাড়া মহল্লার দোকানে বিক্রয় করা হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার আর এতে করে বিস্ফোরণের ঝুঁকিতে রয়েছে সাধার মানুষ।


সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় যমুনা, অমেরা, পেট্রোমেক্স, বসুন্ধরা ও বিএল সহ বিভিন্ন দেশীয় কোম্পানির প্রস্তুতকৃত সিলিন্ডারের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ্য থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক কোম্পানির সিলিন্ডারের গায়ে তা পাওয়া যায়নি।


এ ব্যাপারে কথা হলে আখাউড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ইনচার্জ লিডার মোশারফ হোসেন বলেন যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার রাখা বা বিক্রয় করা অতীব ঝুঁকিপূর্ণ। উপরের নির্দেশনা মুতাবেক প্রতিবছর আমরা সিলিন্ডারের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ চেক করে থাকি।এই বিষয় গুলি আমরা আমলে নিয়ে সবাই যেন অগ্নির্নিবাপন ব্যবস্থা রাখে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া