ঢাকাবুধবার , ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অন্য আকাশ
  2. আইন আদালত
  3. আবোল-তাবোল
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কলাম
  8. ক্যারিয়ার
  9. খেলার মাঠ
  10. গ্যাজেট
  11. জাতীয়
  12. টাকা-আনা-পাই
  13. দেশ পরিবার
  14. দেশ ভাবনা
  15. দেশ সাহিত্য

আখাউড়া লোকোসেড দুর্নীতির আখড়া

রুবেল আহমেদ, আখাউড়া প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১ ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ


পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের পাশে লোকোসেড অবস্থিত আর এই লোকোশেড কে ঘিরে অনিয়ম দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। লোকোসেডের ইনচার্জের চেয়ারটা যেন টাকা উপার্জনের মূল হাতিয়ার।


আখাউড়া লোকোসেডের সহকারি ড্রাইভার এইচ এম কামরুজ্জামান টিকেট নং ২৯২০ তিনি ৩০ মাস যাবত লোকোশেডে অনুপস্থিত, কলম্যান তাহের অনুপস্থিত প্রায় দেড় বছর। এখানেই শেষ নয় হেড বুকিংক্লার্ক সাজ্জাদ ১৫ দিন সেডে উপস্থিত থাকলে পরবর্তী ১৫ দিন অনুপস্থিত থাকেন।তারপরেও সকলেই বেতন-ভাতা মাইলেজ তুলছেন নিয়মিত, ঘুষের বিনিময়ে সহকারী লোকো মাস্টার (এ.এল.এম) গুলো কে সাপ্তাহিক , পাক্ষিক, মাসিক ও বাৎসরিক ভাবে বাড়িতে রেখে তাহাদের কে নিয়মিত বেতন, মাইলেজ ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সকল সুযােগ সুবিদা দিয়ে থাকেন লোকোসেডের ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়া। বর্তমান সরকার রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ রেলকে সুষ্ঠু ও সুশৃংখলভাবে পরিচালনা করার স্বার্থে বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র দের যাচাই-বাছাই পরীক্ষা করে নিয়োগ দেন কিন্তু ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়া নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কচি উদ্যমী ছেলেদের কর্মবিমুখ, নিরুদ্যম এবং নিরুৎসাহিত করে অবৈধভাবে কাজ না করে বেতন ভাতা মাইলেজ আদায়ের কৌশল শিক্ষা দিচ্ছেন।

এছাড়াও করোনাকালীন প্রথম লকডাউনের এর সময় ২২ জন ও পরবর্তী লকডাউনের সময় ১২ জন ড্রাইভার ও সহকারি ড্রাইভারকে বাড়িতে পাঠিয়ে উপস্থিতি দেখানোর জন্য প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন এমন অভিযোগ রয়েছে ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে।উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ থেকে আন্ডারেস্টে বুক না করার নির্দেশ থাকলেও ট্রেন নিয়ে আগত ড্রাইভার ও সহকারি ড্রাইভার দের টি,এম, ও শান্টিং এ ৩ থেকে ৪ জন করে বুকিং দেখানো হয়েছে।

জানা যায় সহকারী লোকো মাস্টার (এ,এল,এম) এইচ এম কামরুজ্জামানের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ সেখানে তিনি ইট ভাটার ব্যবসা,স্কুলের ব্যবসা সহ বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত। তার ইট ভাটার ব্যবসায় ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে শেয়ার নিয়েছিলেন ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন মিয়া পরে যদিওবা বাইপাইলে নিজস্ব জমি ক্রয়ের সময় সেই টাকা ফেরত নিয়ে এসেছেন। সেডে যেহেতু রিলিফ ট্রেন আছে বুকিং দিতে হবে তবে ট্রেন নিয়ে আগত ক্রুদের তিনি আন্ডার রেষ্ট এ বুক করে থাকেন,সেড হতে ৭ থেকে ৮ জন লােক রিলিফ ট্রেনে কাজ করে অথচ ১৫ থেকে ২০ জন লােক রিলিফ ট্রেনে গিয়েছে দেখিয়ে থাকেন তিনি যা সংখ্যায় রানিং রুমের সমস্ত কর্মচারীদের দেখানো হয়।তাদের প্রতি বেলার খাবারের বিল ৪০০ টাকা করে আত্মসাৎ করেন ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন মিয়া।

পথিমধ্যে কোন ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে কন্ট্রোল আদেশ মােতাবেক মেরামত কর্মী পাঠাতে হয় ।তিনি একটি কন্ট্রোল অর্ডার এর বিপরীতে একাদিক ভাউচার প্রদান করে থাকেন । প্রতি ভাউচার ১০০ টাকার বিনিময়ে এর চাইতে নিচু স্তরের দুর্নিতি আর কি হতে পারে? এমন অভিযোগ ও রয়েছে ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে টুলম্যানের ডিউটি যে করে তার থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকেন। এতেই শেষ নয় নিয়ম অনুযায়ী সেট থেকে ইনচার্জ বাহিরে কোথাও গেলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত যেতে পারেন না তথাপিও ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন প্রতিমাসে ১৮ থেকে ২০ দিন টিএ ভাতা গ্রহণ করেন কিভাবে প্রশ্ন থাকে।

মাইলেজ দেওয়া হয় দুটি নিয়মে ট্রিপ সিস্টেম অথবা আওয়ার সিস্টেমে। নিয়ম অনুযায়ী দৈনিক ৮ ঘণ্টা ডিউটি করলে মাসে ৩০ দিন,দৈনিক ১২ ঘন্টা ডিউটি করলে মাসে ৪৫ দিন কিন্তু ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন ৬০ দিন ৬৫ দিন ৭০ দিন কিসের বিনিময়ে দেখিয়ে থাকেন তা এই নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়। যদিও এই সেডে প্রচলিত আছে মঞ্জুরির চেয়ে লোকবল অনেক কম মঞ্জুরি ১৩৩ জন যা ছিল ২৮ টি যাত্রীবাহী গাড়ি ও ৯ মালবাহী গাড়ি সহ মোট ৩৯ টি গাড়ির বিপরীতে। কিন্তু বর্তমানে গাড়ি আছে যাত্রীবাহী ৮ টি এবং মালবাহী ৩ টি সহ মোট ১১ টি।এল এম এর সঙ্কট আছে জানা যায় তবে এ এল এম এর সঙ্কট নেই। দেলোয়ার হোসেন মিয়া কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে ভুল বুঝিয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কে চাপের মধ্যে রাখেন।

ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন মিয়ার ঘুষ নেওয়ার চাহিদা এতটাই বেড়ে গেছে যে প্রতিদিন ট্রেন নিয়ে আগত ড্রাইভার ও সরকারী ড্রাইভার দের বাড়িতে বাসায় রেখে যথারীতি ও যথানিয়মে বুকিং না দেখিয়ে পরের দিন টি, এম,ও এবং রিলিফ ট্রেন সান্টিং এ বুকিং দেখিয়ে থাকেন প্রতিদিন ৩ (তিন)জন এল.এম ৩(তিন)জন এ.এল.এম।টি এম ও তে প্রতিদিন ১২ জনকে মিথ্যা ডিউটি দেখিয়ে থাকেন তিনি। ইনচার্জ এর অপকর্মের প্রতিবাদ করলে রানিং স্টাফ লেলিয়ে দিয়ে অবৈধ সুযোগ সুবিধা ভোগ কারী রানিং স্টাফ দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কথা হয় রেলওয়ের একটি সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের সাথে তিনি শুরুতে তথ্য দিতে অসম্মতি জানালেও তার বিরুদ্ধে কেন জয়েন্ট পিটিশন দেওয়া হয়েছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আখাউড়ায় দীর্ঘ ১২ বছর একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি করোনাকালীন সেড ম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সেই সময় লোকজন ডিউটিতে না আসলে ফোন দিলে বিরক্ত বোধ করতো,সে হিসেবে তিনি একা ডিউটি করেছেন তার পরেও একসময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেক্রেটারি থাকাকালীন তাদের সুযোগ-সুবিধা কেন দেওয়া হয় নি পরে কয়েকজন কে অনুপস্থিত দেখানোয় তাকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করা হয় এবং নি:স্বর্থ ক্ষমা চাইতে হয় এতেও ক্ষুভ মেটে নাই। তারপরেও ৪৫ জন রানিং স্টাফ লেলিয়ে দিয়ে জয়েন্ট পিটিশন করানো হয়।যা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানো হয়।এতে তিনি রাগে ক্ষুব্ধ হয়ে ঢাকা লোকোশেডে যেতে বাধ্য হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্টাফ এর কাছে অনিয়ম দুর্নীতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান আখাউড়া লোকোসেডের ইনচার্জ রেল টা এমন ভাবে চালায় যে তার অনেক টাকার প্রয়োজন টাকা লাগবে, ইনচার্জ দেলোয়ার সাহেব করোনা প্রথম ধাপে ২২ জন ও দ্বিতীয় লকডাউনে ১২ জন স্টাফকে বাড়িতে রেখে প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছেন এর সাথে বুকিং ক্লার্ক সাজ্জাদ ও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এল আই বিমল চন্দ্র বাবু কাছে অনিয়ম দুর্নীতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি বদলি হয়ে গেছি দুই মাস যাবত তিনি থাকাকালীন এইচএম কামরুজ্জামান ও তাহের অনুপস্থিত ছিলেন কি না দুই মাস পূর্বে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান ডিউটি শিট ডিল করে ফর ম্যান এ বিষয়ে তথ্য দিতে অসম্মতি জানান তিনি ‌। এইচ এম কামরুজ্জামান এর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে বারংবার ফোন দেওয়ার পরেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

কল ম্যান আবু তাহের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আমি তিনদিন পাঁচদিন ছুটি কাটিয়েছি এখনো ছুটিতে রয়েছি। দেড় বছরের মধ্যে বেশিরভাগই ছুটি কাটিয়েছেন বলে জানান তিনি। ২০ তারিখে সেডে এসে ২৮ তারিখ চলে যান এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান ছুটি ছাড়া একদিন ও আমি বাড়িতে যাই নাই আপনি আমার হাজিরা খাতা‌ দেখেন? হেড বুকিংক্লার্ক সাজ্জাদুর রহমানের কাছে এ এল এম এইচএম কামরুজ্জামান ও কলম্যান তাহের কে টাকার বিনিময়ে বাড়িতে রেখে উপস্থিতি দেখানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না এ ব্যাপারে ইনচার্জ স্যারকে জিজ্ঞেস করেন। উপস্থিতি দেখানোর জন্য ইনচার্জ তাকে চাপ প্রয়োগ করেছেন কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি কারোও না কারও অধীনে চাকরি করি আমার জবাবদিহি আছে আমি স্যারের অধীনে চাকরি করি স্যার আমাকে যা আদেশ করে আমি তাই করি। আমি তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী। এই সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আখাউড়া লোকোসেডের ইনচার্জ মো: দেলোয়ার হোসেন মিয়া বলেন এ এল এম কামরুজ্জামানের ছুটি অনেকদিন এ্যাবসেন্ট ছিল আবার ডিউটি অর্ডার হয়, আবার চাকরি করেন আবার অ্যাবসেন্ট হয়, কিছু স্টাফ এরকম আছে। কামরুজ্জামান এক মাস দুই মাস এমনকি ৬ মাস ও অনুপস্থিত রয়েছে । এতবার অ্যাবসেন্ড করার পরে তার বিরুদ্ধে কোনো পানিশমেন্ট এর ব্যবস্থা করা হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন জানান কামরুজ্জামানকে প্রথম পানিশমেন্ট দেওয়া হয়েছে ০৪,০৫,২০১৯ থেকে ০৮,০৭,২০২০ দ্বিতীয়বার পানিশমেন্ট ১০,০২,২০২১ থেকে ১৬,০৬,২০২১ পর্যন্ত।

কলম্যান তাহের দেড় বছর যাবত অনুপস্থিত কেন জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান সে এখন ডিউটি করছেন। কলম্যান তাহের ২০ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ সেডে উপস্থিত থেকে ১ তারিখ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত বাড়িতে থাকেন কিভাবে জানতে চাওয়া হলে ইনচার্জ কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।ড্রাইভার ও সরকারি ড্রাইভার দের বাড়িতে রেখে টাকার বিনিময়ে উপস্থিতি দেখানোর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন মিয়া জানান টাকা নেওয়ার বিষয়টা সত্যি না। দু একজন অনুপস্থিত আছে মিথ্যা না।অফিসে আমি তো একা না যারা মেনটেন করে যারা হাজিরা দেন লকডাউনে যেখানে যে আটকা পড়েছে করোনার কারণে অনেকে আসতে পারে নাই সমস্যা ছিল অথবা করোনা সিমটম ছিল। এইচ এম কামরুজ্জামান এর সাথে ইট ভাটার ব্যবসায় শেয়ার আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান ব্যবসা অনেকের থাকে নিজে করে অথবা তার ভাই করে।ইট ভাটার ব্যবসায় ৫ লক্ষ টাকা শেয়ার ক্রয়ের কথাটি ভুল বলে জানান তিনি। প্রতি মাসে ১৮ থেকে ২০ দিন টি এ ভাতা গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন মিয়া জানান তা সত্য নয় যদি এক্সিডেন্ট বা দূর্ঘটনা ঘটে রিলিফ ট্রেন চারদিন পাঁচদিন সাতদিন আট দিন যেতে হয়। তারপরে ইঞ্জিন ফেল করলেও অ্যাটেন্ড করতে হয় সেখানে তাছাড়া কিছু না। ওইভাবে বাইরে যাওয়া হয়না। আন্ডার রেস্টে বুকিং এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন লোক কম থাকায় আন্ডার রেস্টে সুবিধা পাচ্ছে। ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সত্যি না বলে তিনি জানান,আন্ডাররেস্টে রানিং স্টাফগন কাজ না করলে আমার কোন ক্ষমতা নাই আইনের বাইরে কিছু করার রেল ব্রিটিশ আইনে এখনো চলছে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা দেয়া সম্ভব নয়। আইনের বাইরে কোনো সুযোগ দেওয়ার নাই আইনের মধ্যে থেকে যতটুকু পারি সুযোগ দিয়ে থাকে।

মাইলেজের ক্ষত্রে প্রতিমাসে ৬৫ থেকে ৭০ দিন দেয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান সেটা লোকজন কম থাকার কারণে এমনটা হয় লোক মাত্র ১২ জন। রিলিফ ট্রেনে ৭২ জন সেকশন ব্যাপারটা বুঝানো কঠিন আন্ডারেস্ট জরুরি ৬ ঘন্টা রেস্টে বুকিং করা যাবে রিলিফ ট্রেন হলে ৬ ঘন্টা কম হলে নিতে পারেন আবার মালগাড়ি হলে। এসময় হাজিরাখাতা, অন ডিউটি অফ ডিউটিশিট মাইলেজ সামারি শিট চাওয়া হলে ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন মিয়া দেখাতে অসম্মতি জানান। এ বিষয়ে সি.এম.ই চট্টগ্রাম প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী বোরহান উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি নতুন জয়েন করেছি আমি বিষয়টা দেখছি।

ডি এম ই ঢাকা বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী রেজাউল আলম সিদ্দিকী জানান এদের ডিপার্টমেন্টে প্রসিডিউর নেওয়া হচ্ছে কামরুজ্জামানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। তাহেরের বিষয়টি ফাইল দেখতে হবে নাম সব মনে থাকেনা অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে আমরা দেখব।

সর্বশেষ - সোশ্যাল মিডিয়া